দেশে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে উত্সাহ প্রদানের লক্ষ্যে গতকাল সোমবার মানবকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান খাজা মোজাম্মেল হক্ (র:) ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার তামাই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ৬৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৪১৯ জন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে সম্মাননা সনদ এবং অষ্টম ও দশম শ্রেণীর ২৫৪ জন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে নগদ অর্থ বৃত্তি ও সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়েছে।
খাজা মোজাম্মেল হক (র:) ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খাজা টিপু সুলতান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন খাজা মোজাম্মেল হক ফাউন্ডেশনের সচিব জোবায়ের হোসেন। উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা উন্নয়ন ইন্সটিটিউটের উর্ধ্বতন উপদেষ্টা ড. মনজুর আহমদ, ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. শামছুল আলম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার ফরহাদ আহমদ, রাজশাহী অঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালক ড. শারমিন ফেরদৌস, কোষাধ্যক্ষ সোহেল হোসেন ইবনে বতুতা, বৃহত্তর উত্তরবঙ্গের প্রধান সমন্বয়কারী আনসার আলী খান জয়, কুমিল্লার প্রধান সমন্বয়কারী প্রকৌশলী খুরশীদ আহমে্দ। “মেধায় মাতি” নামে মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আরমান খান। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী ছাত্র্-ছাত্রীরা তাদের বুদ্ধি ও মেধার পরিচয় দিতে মেতে ওঠে প্রতিযোগিতায়। সঙ্গীত পরিবেশন করেন হায়দার হোসেন। অনুষ্ঠানে ৬৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিপুলসংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবকবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রভাকর বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক মো: ্আবদুল্লাহ আল মাহমুদ। প্রধান অতিথি বলেনঃ ‘খাজা মোজাম্মেল হক (র:) ফাউন্ডেশনের বৃত্তি তাদেরকেই প্রদান করা হচ্ছে যাদের মধ্য থেকে ভবিষ্যতে নামি-দামি মানুষ তৈরি হবে, দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত হবে। কেবল পড়াশোনা করলেই হবে না, নিজেদের ভালো মানুষ হিসেবেও গড়তে হবে, সেভাবেই চলতে হবে জীবনচলার পথে। খাজা মোজাম্মেল হক্ (র:) ফাউন্ডেশন ২০০১ সাল থেকে প্রতিবছর দরিদ্র ও দুঃস্থ মানুষের কল্যাণে বিনামূল্যে চিকিত্সাসেবা কর্মসূচী নিয়মিতভাবে পরিচালনা করছে এবং সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্কুলে নবম-দশম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের ‘বৃত্তি প্রদান’ করে আসছে। - প্রেস বিজ্ঞপ্তি
