মেয়াদ শেষের আগেই কেসিসি নির্বাচনের তোড়জোড়

আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:০৮
আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) বর্তমান পরিষদের ৫ বছর শেষ হচ্ছে। মেয়াদ শেষ হবার আগেই এপ্রিল বা মে মাসে এ নির্বাচন সম্পন্ন করার তোড়জোড়। আগামী ৫ মার্চ এসএসসি ও ১ মে এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হবে। ১৩ মে’র পর নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আর কোন বাধা থাকছে না। বর্ষা মৌসুমের আগেই খুলনা সিটি কর্পোরেশন ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য কমিশনের তাগিদ রয়েছে। নির্বাচন সম্পন্নের জন্য কালি, কলমসহ প্রয়োজনীয় মালামাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, সর্বশেষ হালনাগাদের আওতায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৩ হাজার ১ জন। এবারের হালনাগাদের আওতায় ভোটার বেড়েছে ২৯ হাজার ২ জন। সোনাডাঙ্গা থানা নির্বাচন অফিসার প্রতিভা বিশ্বাস জানান, হালনাগাদ করার পর যেসব ভোটার বাদ পড়েছে, তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নগরীর খালিশপুর থানা এলাকায় ৮৫ জন এবং সোনাডাঙ্গা থানা এলাকায় ১৫৫ জন ভোটার বেড়েছে। আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার (চলতি দায়িত্ব) মো: মুজিবর রহমান জানান, কেসিসির ৩১টি ওয়ার্ডে ২৩৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এখনও কোন নির্দেশ দেয়নি। ২০০৮ সালের ৪ আগস্ট কেসিসির তৃতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮১২ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনিরুজ্জামান মনি পেয়েছিলেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৯৭৬ ভোট। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৪ জানুয়ারি স্থানীয় সার্কিট হাউজ ময়দানের জনসভায় নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেককে পুনরায় মেয়র পদে মনোনয়ন দানের কথা ঘোষণা করেন। অপরদিকে খালিশপুর শ্রমিক ময়দানে গত ৪ জানুয়ারির জনসভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (ইআবা) -এর প্রধান ও চরমোনাই পীর সাহেব সৈয়দ মোঃ রেজাউল করিম তার দলের পক্ষ থেকে মাওলানা মুজাম্মেল হককে মেয়র পদে মনোনয়ন দানের কথা ঘোষণা দেন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা না হলেও বিএনপির পক্ষ থেকে একাধিক প্রার্থীর নাম আলোচিত হচ্ছে।