মাঠে হচ্ছে বাণিজ্যমেলা ঘরে বসেই কেনাকাটা!

আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:১৪
এ বছরই প্রথম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করার জন্য অনলাইন মাধ্যম চালু হয়েছে। এই মাধ্যমে ক্রেতা এবং বিক্রেতারা পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করতে পারছেন। মেলায় ই-শপ নামে একটি মিনি প্যাভিলিয়নে এ বেচা-কেনার সুযোগ পাচ্ছেন ক্রেতা এবং বিক্রেতারা। দর্শনার্থীদের প্যাভিলিয়নটি খুঁজে পেতে তেমন বেগ পেতে হয় না। কারণ এটি মেলার প্রধান গেটের সামনেই অবস্থিত। ১৬টি কম্পিউটারের মাধ্যমে চলছে বেচা-কেনার কাজ। এ কাজে ইন্টারনেটের সংযোগ দিচ্ছে ওয়াইম্যাক্স কোম্পানি কিউবি। ফলে ঘরে বসেই www.ditfeshop.com ঠিকানার ওয়েবসাইটে ঢুকে বাণিজ্য মেলার পণ্য পছন্দ করে অর্ডার দিতে পারছেন ক্রেতারা। অনলাইনে টাকা পরিশোধ করার জন্য এর সাথে কাজ করছে বেশ কয়েকটি ব্যাংক। মেলায় এজাতীয় উদ্যোগ প্রথম হওয়ায় প্রথম দিকে তেমন সাড়া না মিললেও গত দশ দিন ধরে বেশ সাড়া পাচ্ছেন ই-শপের কর্তৃপক্ষ। তবে মেলার সব কোম্পানি এ মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করছেন না। মেলা শুরুর পর এ যাবত্ প্রায় দুই শতাধিক ক্রেতা অনলাইনের মাধমে পণ্য ক্রয়ের অর্ডার দিয়েছেন। নিজস্ব ডেলিভারি টিমের মাধ্যমে পণ্য পাবার জন্য সর্বাধিক তিন দিন লাগে। পণ্য ক্রয় করতে হলে ক্রেতাদের ই-মেইল এবং গোপন নম্বর দ্বারা রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। তারপর পণ্য দেখে বাছাই করতে হয়। পণ্যের সাথেই দাম নির্ধারণ করা আছে। এক দম্পতির উদ্যোগ এবং প্রচেষ্টায় দর্শনার্থী ও ক্রেতারা এ ধরনের সুযোগ পেল বাণিজ্য মেলায়। তারা হলেন এফএসবি এর সিইও আতাউর রহমান এবং তার স্ত্রী ঐ কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাদেকা হাসান সেচুতি। সাদেকা হাসান ইত্তেফাককে বলেন, ঢাকার বাইরে থেকে বেশি সাড়া পাচ্ছি। কিন্তু মেলার সবাই অনলাইনের মাধ্যমে বেচা-কেনা করছেন না। কারণ উদ্যোগটি একেবারেই নতুন। দেশের ভেতর এবং বাইরের দেশের সাথে দেশীয় ব্যবসায়ীদের পণ্য ক্রয়-বিক্রয় এবং লেনদেন সুযোগ বাড়াতে আমাদের প্রচেষ্টা। এ জন্য আমাদের অনেক সময় দিতে হচ্ছে। আমরা বিশ্বস্ততা অর্জন করার চেষ্টা করছি। কিন্তু আমরা সরকারের নিকট থেকে কোন সাড়া পাচ্ছি না। কোন লোনও পাচ্ছি না ব্যাংক থেকে। আপাতত নিজেদের অর্থায়নে চলছে এই প্রচেষ্টা। কোন ব্যাংকের সহযোগিতা পেলে অনেক দূর যেতে পারতাম।