জাতীয় সংসদের ৩২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেন এরশাদ

আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:১৫
জাতীয় পার্টি-জাপা চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ৩২ জনকে দল মনোনীত ‘প্রার্থী’ বলে ঘোষণা করেছেন। তবে এ পর্বে রংপুর বিভাগে কাউকে মনোনয়ন দেননি। পার্টির পূর্ব ঘোষিত ‘সম্ভাব্য প্রার্থী’র মধ্য থেকে এ ৩২ জনকে ‘মনোনীত প্রার্থী’ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার জাপার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ মনোনীত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ ৩২ জন পার্টি মনোনীত প্রার্থী হিসাবে প্রচার-প্রচারণা করতে পারবেন। পূর্ব ঘোষিত অন্যান্য প্রার্থীরা ‘সম্ভাব্য প্রার্থী’ হিসাবে কাজ করবেন। তারা মনোনীত প্রার্থী পরিচয়ে কোনো প্রচার চালাতে পারবেন না। এক মাস পর সাংগঠনিক রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও জানানো হয়। উল্লেখ্য, গতবার আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটে থেকে নির্বাচন করে জাপা। তবে এবার আলাদাভাবে নির্বাচনের কথা বলছেন এরশাদ। মহাজোট ছাড়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এরশাদ এখনো না দিলেও প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ শুরু করেছেন। মনোনীত ৩২ প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন-দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য রওশন এরশাদ (ময়মনসিংহ-৪), কাজী জাফর আহমদ (কুমিল্লা-১১), ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৪), জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু (চট্টগ্রাম-৫) ও দলের মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার (পটুয়াখালী-১)। এদের মধ্যে রওশন এরশাদ, ব্যারিস্টার আনিস ও রুহুল আমিন হাওলাদার বর্তমানে সংসদ সদস্য। তবে রুহুল আমিন গতবার যে আসনে নির্বাচন করেছেন, সেই আসনে তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। বরিশালের (বাকেরগঞ্জ) আসনে এবার মনোনয়ন দেয়া হয়েছে রুহুল আমিনের স্ত্রী রত্না আমিন হাওলাদারকে, তিনি বর্তমানে সংরক্ষিত আসনের এমপি। সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য, দৈনিক যুগান্তর সম্পাদক এডভোকেট সালমা ইসলামকে ঢাকা-১ আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এছাড়া এরশাদ এবার তার প্রেস সচিব (প্রেসিডিয়ামের মর্যাদাপ্রাপ্ত) সুনীল শুভরায়কেও খুলনা-১ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছেন। রওশন এরশাদ গতবার রংপুরে নির্বাচন করলেও এবার তিনি মনোনয়ন পেয়েছেন নিজ পৈতৃক নিবাস ময়মনসিংহে, যেখানে বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের নেতা। কাজী জাফরকে কুমিল্লার যে আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, ওই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। মনোনীত অন্যদের মধ্যে রয়েছেন-অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান (ঢাকা-৯), কাজী মাহমুদ হাসান (নরসিংদী-৪/গাজীপুর-২), আহসান হাবিব লিংকন (কুষ্টিয়া-২), আতিকুর রহমান (হবিগঞ্জ-৩), সোলায়মান আলম শেঠ (চট্টগ্রাম-৮), মুজিবুল হক চুন্নু (কিশোরগঞ্জ-৩), এসএম আব্দুল মান্নান (মানিকগঞ্জ-২), মোস্তফা জামান বেবী (নরসিংদী-১), সৈয়দ দিদার বখত (সাতক্ষীরা-১) ও নবাব আলী আব্বাস (মৌলভীবাজার-২), জিয়াউল হক মৃধা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২), শহিদুল ইসলাম (চাঁদপুর-২), খন্দকার আব্দুস সালাম (গাজীপুর-১), রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), মো. সেলিম উদ্দিন (সিলেট-৬), হাসান সিরাজ সুজা (মাগুরা-২), হাজী মো. আলাউদ্দিন (ফেনী-২), শফিকুল ইসলাম মধু (খুলনা-৬), শরিফুল ইসলাম সরু চৌধুরী (যশোর-৫), আশরাফ সিদ্দিকী (টাঙ্গাইল-৮), সাব্বির আহমেদ (সিলেট-৫), সোমনাথ দে (বাগেরহাট-৪), শংকর পাল (হবিগঞ্জ-২) ও শাহাব উদ্দিন বাচ্চু (রাজশাহী-৩)।