বরিশালে আওয়ামী লীগের ৮৪ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে বিএনপির পাল্টা মামলা

আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:১৯
সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউপির চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান মুন্নাসহ আওয়ামী লীগের ৮৪ জন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেছে জেলা বিএনপি। গত রবিবার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিএনপি নেতা আব্দুল হাই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে বিচারক মোঃ জাহিদুল কবির অভিযোগের তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ডিবি’র ওসিকে নির্দেশ দেন। গতকাল সোমবার আদালতের কাগজপত্র হাতে পেলেও তা আদালতে ফেরত পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ডিবি’র ইন্সপেক্টর আবুল কালাম আজাদ। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ডিবি’র ওসি সদরকে তদন্ত করতে বলা হয়েছে। মেট্রোপলিটন পুলিশে ডিবি’র ওসি সদর বলতে কোনো পদ না থাকায় তা ফেরত পাঠানো হয়েছে। এদিকে আদালত চত্বর থেকে বের হওয়ার পর বাদি আব্দুল হাইকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার আইনজীবী এডভোকেট এনায়েত হোসেন বাচ্চু। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা গত ২৫ জানুয়ারি রামকাঠী স্কুল মাঠে বনভোজনের আয়োজন করেন। আগের দিন স্কুল মাঠে সাজসজ্জার সময় আসামিরা সেখানে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় আসামিরা তাদের মারধর করে প্রায় এক লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে শেবাচিম হাসপাতালে চিকিত্সাধীন ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান মুন্না, তার বড় ভাই মনিরুজ্জামান মনির, শাহে আলমসহ ৩৪ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪০/৫০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। গত ২৪ জানুয়ারি বনভোজনকে কেন্দ করে আওয়ামী লীগ-বিএনপির দু’গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান মুন্নাসহ চারজন গুলিবিদ্ধ ও কমপক্ষে অর্ধশত আহত হয়। রাতেই গোলাগুলির ঘটনায় জড়িত সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শামীমসহ ৫৪ জনকে কাউনিয়া থানা পুলিশ অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেফতার করে। পরদিন আহত চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির বাদী হয়ে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শামীমসহ বিএনপি’র ৬৩ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।