তোমাদের চিঠি থেকে

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ১৮:২৩
প্রিয় কচি-কাঁচার বন্ধুরা, আশাকরি সকলেই খুব ভালো আছো। আমি তোমাদের আসরেরই বন্ধু। দীর্ঘদিন ধরে আছি। গত সেপ্টেম্বর মাসেও তোমাদের কাছে লিখেছি। সেখানে একটি কবিতা আর ‘আমার প্রিয় বই’ সম্পর্কে লিখেছি। যদিও বইয়ের সম্পর্কে লেখাটি একটু মাঝারি সাইজের হয়েছে। কী করবো। ছোট করে লিখতে পারলাম না যে। বিষয়টি ছিলো ‘মেকু কাহিনী’ নিয়ে। আর কবিতাটি ছিলো ‘হাইস্কুল’ নামে। ভেবেছিলাম হয়তো তোমরা তা গ্রহণ করবে, নিশ্চয়ই। আর এও লিখে দিয়েছিলাম চিঠিতে যে, আসরে লেখাগুলো ছাপানো হলে আমাকে দয়া করে তা আগে থেকে জানিয়ে দিও। পড়াশোনা নিয়ে বেশ ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। ফলে ফাঁক দিয়ে কোনো একদিন হয়তো এসময়ে আসর মিস করতে হচ্ছে। তাই আসর না দেখে নাও জানতে পারবো যে আমাকে লেখা দ্বারা গ্রহণ করেছো কি করোনি। তবে তারপরও কষ্ট করে নিয়মিতই প্রত্যেকবার প্রতিটি আসর দেখলাম। কিন্তু কোথাও আমার নাম-গন্ধও নেই। অন্যদের অনেক কিছুই ছাপা হয়েছে। যদি আমার লেখাগুলো নাই গ্রহণযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে কোথায় ত্রুটি রয়েছে তাও আমাকে তোমরা জানাওনি। তাই আবারও ২৯ নভেম্বর তারিখে, তোমাদের লিখতে বসে পড়লাম। তোমাদের কী খবর তাও জানতে চাইলাম। আর আমাকে মনে আছে কিনা সে উদ্দেশে চিঠি লিখলাম। আমি কিন্তু আসরের সদস্যও। সেই যে ২০১০ সালে সদস্য ফরম পূরণ করে পাঠানোর পর সদস্য নম্বর ছাপালে তারপর কত কত লেখা পাঠানোর পরও আর গ্রহণ করলে না। যাই-হোক বন্ধুরা এতো অভিযোগ দেখে কিছু যেন মনে করো না। ব্যস্ত সময়ের মধ্যে লিখিতো। তাই তা গ্রহণযোগ্য না হলে মনে করবো ফাঁকি দেয়া হয়েছে। অর্থাত্ মনে হয় অযথা লিখে সময় নষ্ট করেছি। কিন্তু বন্ধুরা, আমি কিন্তু আমার চেষ্টা থামিয়ে দেইনি। এখনও লেখা পাঠিয়ে যাচ্ছি। তাই এবারও চিঠির সাথে ডিসেম্বর মাস, গৌরবের মাসের কথা স্মরণ করে একটি কবিতা পাঠিয়ে দিলাম। এবারের পাঠানো লেখাও গ্রহণযোগ্য হলে ছাপাবে এবং আগে থেকে আমাকে একইভাবে দয়া করে জানিয়ে দেবে। আমার লেখায় কোথাও কোনো ভুল হলে, তার জন্য দুঃখিত এবং তা দূর করার জন্য সাহায্য করবে বন্ধুরা, আশাকরি। আজ আর নয়, বন্ধুরা। তোমরা সবাই ভালো থেকো। আমাকেও তোমাদের সাথেই রেখো। আর সম্ভব যদি হয়, তবে দয়া করে আমার লেখার উত্তর পাঠিয়ো। তাহলে সময়টা কাজে লেগেছে ভেবে শান্তি ও স্বস্তি পেতে পারবো। তোমাদের আসরের বন্ধু— ফাতেমা আক্তার সদস্য নম্বর-১৬৩৬ সাবেরা সোবহান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। শীতের হলুদ গাঁদার শুভেচ্ছা নিও। আশা করি কচি-কাঁচার বন্ধুরা সবাই ভালো আছো। আসরের পাতায় শীত সংখ্যা বের হবে বলে খুব খুশি হয়েছি। তবে আরও খুশি হব যদি আমার লেখা ছাপানো হয়। বন্ধুরা তোমাদের জন্য আমার মজার মজার একগুচ্ছ ছড়া পাঠালাম। আসরের ছাপা হলে তোমরা নিশ্চয়ই খুশি হব। এবার শীতের ছড়াটি তোমাদের শুনিয়ে দিচ্ছি—