কবিতা ও ছড়া

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ১৮:২৪
শীত ষড় ঋতুর এই বাংলাদেশে বছর ঘুরে এলো শীত শীতে সুখ থেকে দুঃখ বেশি তাই মনে নেই গীত। মীর ররিউল ইসলাম রবি কচি-কাঁচার সবুজ পাঠক ফোরাম পীর গাছা রংপুর মেঘপরীদের বসতবাড়ি নুরুন নাহার খান চাঁদটা হলো সাথী আমার পথ দেখালো তারা সাগর দিলো জ্ঞানের ঢেউ ঝর্ণা শান্তি ধারা আকাশ দিলো উদারতা পাহাড় হলো ঢাল বিপদ বাঁধায় নিরাপদে কাটছে আমার কাল নদীর বুকের মিষ্টি সুধা মধুরতা নিয়ে ঝড়ের কাছে সাহস পেয়ে সামনে যাই এগিয়ে গাছ আমাকে ধৈর্য দিলো দুঃখ ব্যথা সইতে বৃষ্টি আমার সাথী হলো অনেক কথা কইতে। আকাশটা আসবো দেখে রঙিন ডানায় চড়ে মেঘপরীদের বসতবাড়ি দেখবো দু’চোখ ভরে। মা যে আমার কাদের বাবু মা যে আমার ভীষণ ভালো কণ্ঠ যে তাঁর বাজে সারাটি দিন ব্যস্ত থাকেন কত্তোরকম কাজে। কিন্তু মায়ের আদর-স্নেহ কখখনো পাই না যে তুমিই বলো কোনো মায়ের এমন হওয়া সাজে! মা যে আমার চোখের আলো আমার বুকের মাঝে বক্ষে তাকে ধারণ করি সকাল দুপুর সাঁঝে। কারণ তিনি আমার প্রিয় ভীষণ প্রিয় মা যে। পল্লীবধূ মো. সোলায়মান হোসেন ওই পল্লীবধূ যায় আলতা পরে পায়। কলসি নিয়ে ঘাটে জল ভরিয়ে হাঁটে। পা পিছলে গেলে কলসি ভেঙে ফেলে। শীতের রানি আমির হোসেন মিলন সূর্যটা আজ হাসছে একা খেলছে আকাশ জুড়ে, নীল আকাশে ভেসে ভেসে যাচ্ছে অনেক দূরে। ভোর বেলাতে লেজ দুলিয়ে ডাকছে চড়াই পাখি, খোকাখুকু ছুটছে রোদে দেখছে খুলে আঁখি। শীতের রানি ফেলছে পানি লাগছে ঠাণ্ডা গায়— ঘোমটা পরা মানুষগুলো ঘুরছে মোজা পায়। খেজুর রসের গুড় পাটালী মিষ্টি রোদের আলো শিশির ভেজা ধানের গোছা দেখতে লাগে ভালো। সন্ধেবেলা রাব্বী আহমেদ আবীর রাঙা মেঘের ভেলায় আকাশ ছেয়ে গেল ক্লান্ত এ ধরায় যখন সন্ধে নেমে এল—। রক্ত রঙিন শেষ গোধুলীর আবছা আলোর মেলা সাঁঝের মায়ায় আছড়ে পড়ে ফেলে সকল খেলা সব পাখিদের কোলাহলে ভাঙে নীরবতা— একটু পরেই রাত জোনাকী বলে হাজার কথা। যাচ্ছে ফিরে পাখি নীড়ে ফেলে সকল কাজ, শেষ গোধূলির আলো মুছে নামলো এবার সাঁঝ। শীতের ছড়া সানজিদা সাবিহা অহনা সদস্য নম্বর-৪০৮ ধানের ক্ষেতে উঠল মেতে রোদের খেলা, দেখে দেখে কাটে আমার সকাল বেলা। শিশির হাসে মাঠের ঘাসে শিউলি বোটায়— টিনের চালে গাছের ডালে ফোঁটায় ফোঁটায়। অগ্রণী স্কুল ও কলেজ, আজিমপুর, ঢাকা। শীতের কথা সিদরাতুল মুনতাহা হোসেন সদস্য নম্বর-৩১২০ শীতের পিঠা, খেতে ভারি মিঠা। খেজুর রসের পায়েস, খেতে খেতে আয়েশ। কুয়াশার বুড়ি, চাদর দেয় মুড়ি। শিশির ভেজা ঘাসে, পা ভিজে আসে। সূর্যিমামা আসে, গরিব দুখি হাসে। ব্যাংক কলোনী, নারায়ণগঞ্জ।