চাষীদের বিক্ষোভ, শ্রমিকদের বেতন বাকি

নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলে ৮৫ কোটি টাকার চিনি অবিক্রিত

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:২২
নাটোরের লালপুর উপজেলার নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের গুদামে ৮৫ কোটি ২৩ লক্ষ ৮৭ হাজার টাকার চিনির মজুদ নিয়ে বিপাকে পড়েছে মিল কর্তৃপক্ষ। বিপুল পরিমাণ চিনি সংরক্ষণের জায়গা নিয়েও সমস্যা দেখা দিয়েছে। প্রতিদিনই চিনির পরিমাণ বাড়ছে। উত্পাদিত চিনি বিক্রি না হওয়ায় অর্থাভাবে আখচাষীদের পাওনা ৮ কোটি টাকা ও চিনিকলের কর্মকর্তা ও শ্রমিক-কর্মচারীদের ২ মাসের বেতন পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে পাওনা টাকার দাবিতে সোমবার সকালে মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছে কয়েক শ’ আখচাষী। বেতন ভাতা প্রদানে প্রয়োজন প্রায় ২ কোটি টাকা। এসব ব্যায় মেটাতে চিনিকলটির প্রায় সাড়ে ১০ কোটি টাকার প্রয়োজন। প্রায় ১ বছর ধরে চিনিশিল্প কর্পোরেশনের নির্ধারিত ডিলাররা নিয়মিত তাদের জন্য বরাদ্দকৃত চিনি উত্তোলন করছেন না। এদিকে কম দামের বিদেশি চিনির কারণে স্থানীয় বাজারে চিনিকলের চিনির চাহিদা না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম জানান, ২ মাস ধরে বেতন না থাকায় শ্রমিক কর্মচারীরা মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। তাদের অনেকেই সুদ ব্যবসায়ীদের জালে আটকে পড়ছেন। চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুবর রহমান জানান, ডিলাররা নিয়মিত চিনি উত্তোলন করছেন না। এব্যাপারে স্থানীয় চিনি ব্যবসায়ীরা জানান, বিদেশ থেকে আমদানি করা চিনি ৪৫ টাকা এবং নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের চিনি ৫২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে কম দামের বিদেশি চিনির কারণে মিলের চিনির চাহিদা নেই।