ঝর্ণাধারার পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপ্তিতে আনন্দে ভাসছে গান্ধী আশ্রম

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:৫১
মানব কল্যাণে ৬০ বছর নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন ঝর্ণাধারা চৌধুরী। এই সমাজ সেবক ও উন্নয়ন কর্মী আজীবন মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ ধারণ করে তা বাস্তবায়নে নিভৃতে কাজ করে যান। বিয়ে ও সংসার না করে শান্তি, সম্প্রীতি ও অহিংসা প্রসারের পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠির আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষা সম্প্রসারণ, কৃষি, মত্স ও কুটির শিল্প উন্নয়ন ও বাস্তবায়নকে নিজের ধর্ম হিসেবে গ্রহণ করেন। বর্ণাঢ্য জীবনে সমাজ সেবা ও জনকল্যাণে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্প্রতি ভারতের ‘পদ্মশ্রী’ পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি। গত শুক্রবার ভারতের স্বরাষ্ট্র সচিব টেলিফোনে তাকে স্বীকৃতির খবর দেন বলে জানান এই বিশিষ্ট সমাজকর্মী। ঝর্ণাধারা চৌধুরী নোয়াখালীর সুধীজন, গুণীজন ও সাধারণ মানুষের কাছে ঝর্ণা দি নামে পরিচিত। তার এই পুরস্কার প্রাপ্তিতে আনন্দে ভাসছে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগে গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট। ট্রাস্টের সাথে সম্পৃক্ত উপকার ভোগী লাখো হতদরিদ্র মানুষ আনন্দে আত্মহারা। ঝর্ণা দিকে অভিনন্দন জানাতে গান্ধী আশ্রমে গিয়েছেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, জন প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধি, সংবাদপত্র ও ইলেক্ট্রোনিক মিডিয়া কর্মী, শিক্ষার্থী, এলাকার সাধারণ মানুষ এবং বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা জেলার আশ্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। ঝর্ণাধারা চৌধুরী তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ইত্তেফাককে জানান, ‘আমি মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করছি। এ সম্মান শুধু আমার একার নয়, বাংলাদেশের সকল মানুষের।