মিশরের সেনাপ্রধান জেনারেল আবদুল ফাত্তাহ আল-সিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বর্তমানের রাজনৈতিক সংঘাত দেশটিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে। এই সংঘাত দেশটির ভবিষ্যত্ প্রজন্মের জন্য হুমকিস্বরূপ। খবর বিবিসির।
দেশটির তিনটি শহরে নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং সুয়েজে জরুরি অবস্থাজারি করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার সেনাপ্রধান এ হুঁশিয়ারি দিলেন। গত শুক্রবার থেকে চলা বিক্ষোভে দেশটিতে প্রায় ৫০ জনের মতো প্রাণ হারিয়েছে। গত বছর সিসিকে সেনাবাহিনীর প্রধান হিসাবে নিয়োগ দেন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি। তিনি একই সঙ্গে সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রীও। দেশটিতে কয়েকমাস পরই সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। নির্বাচনের আগে পরিস্থিতি শান্ত করতে হিমশিম খাচ্ছেন মুরসি। সঙ্কট ক্রমেই ঘনীভূত হতে থাকায় সামরিক বাহিনীর কার্যালয়ে সিসি তার ফেইসবুক পাতায় ওই সতর্কবার্তা দেন। এতে তিনি লেখেন, রাষ্ট্রীয় বিষয়গুলোর ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির মধ্যকার চলমান লড়াই দেশের পতন ডেকে আনতে পারে। সেনাবাহিনী যে কোনো পরিস্থিতিতে ঐক্যবদ্ধ এবং অবিচল থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশ যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং সামাজিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে বাস্তবে তা মিশরের জাতীয় ঐক্য এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি। মিশরে সহিংসতা নিরসনে মুরসির ডাকা আলোচনা প্রস্তাব সোমবার প্রত্যাখ্যান করেন রাজনৈতিক বিরোধীরা। বরং এর পরিবর্তে জরুরি অবস্থা এবং কারফিউ উপেক্ষা করে কায়রো এবং আলেকজান্দ্রিয়াসহ সুয়েজ খাল তীরবর্তী তিনটি শহরে বিক্ষোভ করে বিরোধীরা।
