পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই চলতি মৌসুমে গফরগাঁও উপজেলায় চালু করা হয়েছে ৩৭টি ইটভাটা।
উপজেলায় মাত্র ১টি ইটভাটায় জিগজাগ চিমনি, ২১টি ইটভাটায় ১২০ ফুট উঁচু স্থায়ী চিমনি, ১টি ইটভাটায় ৮০ ফুট উঁচু চিমনি এবং বাকি ১৫টি ইটভাটায় নিয়ম বহির্ভূতভাবে ৩০ ফুট উচ্চতার ড্রাম চিমনি ব্যবহার করে ইট পোড়ানো হচ্ছে। এছাড়া অধিকাংশ ইটভাটাই সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করে গড়ে উঠেছে। ইটভাটার নির্গত ধোঁয়া অতি সহজেই লোকালয় ও ক্ষেত খামারে ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে বিপর্যস্ত হচ্ছে পরিবেশ। ছোট বারইহাটি গ্রামে স্থাপিত মেসার্স এইচ.বি.এম ইটভাটার মালিক ফজলুল হক খান বাবুল জানান, আপনারা যা লেখার লেখেন, আমরা প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এ কাজ করছি। উপজেলার লংগাইর ইউনিয়নে স্থাপিত মেসার্স মমতা এন্টারপ্রাইজের ইটভাটার কার্যক্রম গত ১৫ জানুয়ারির মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দেয় পরিবেশ অধিদপ্তর। এই নির্দেশের ১৫ দিন অতিবাহিত হলেও মমতা ইটভাটা কর্তৃপক্ষ ইটভাটাটি বন্ধ করেনি। পরিবেশ অধিদপ্তরও কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এ ব্যাপারে মেসার্স মমতা এন্টারপ্রাইজের মালিক বলেন, তোফাজ্জল হোসেন জানান, শুধু আমরা কেন গফরগাঁওয়ে যত ইটভাটা আছে প্রায় সবগুলোই অবৈধভাবে চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ অফিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল আজিম জানান, আমরা কোন ব্যবস্থা নিতে পারছি না জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের জন্য। ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, ইতিমধ্যে আমরা গফরগাঁওয়ে অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ ইটভাটা ভেঙ্গে দিয়েছি। পর্যায়ক্রমে বাকি অবৈধ ইটভাটা বন্ধের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। যারা ইটভাটায় কাঠ পোড়ায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
