বরগুনার তালতলী উপজেলার চন্দনতলা গ্রামে বাল্যবিয়ে নিরোধ মামলায় ৫ জনের বিরুদ্ধে বুধবার আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ। জানা গেছে, তালতলী উপজেলার চন্দনতলা গ্রামের হারুন গাজীর মেয়ে বগীরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী হালিমাকে (১১) হঠাত্ করে বিয়ে দিয়ে দেয়ায় সে গত ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা দিতে পারেনি। প্রথম দিন পরীক্ষা দেয়ার পর তাকে বিয়ে দেয়া হলে বাকি পরীক্ষাগুলো আর দেয়া হয়নি তার। এ ব্যাপারে বরগুনা জেলা সচেতন নাগরিক পরিষদের (সনাপ) মাধ্যমে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে অভিযোগ দায়ের করা হলে তিনি তালতলী থানাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তালতলী থানার এসআই মুরাদ হোসেন বাল্যবিয়ে দেয়ার অপরাধে হালিমার পিতা হারুন গাজী, মা ফিরোজা বেগম, শ্বশুর ছিদ্দিক সিকদার, শাশুড়ী ফকেরা বেগম ও বিয়ে পড়ানোর মৌলানা আবদুল আজিজ ফকিরের বিরুদ্ধে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহ আলম গতকাল বৃহস্পতিবার জানান, আসামিদের স্বীকারোক্তি অনুসারে বাল্যবিয়ে নিরোধ আইনের ৫ ও ৬ ধারা মোতাবেক মামলা দায়ের করা হয়।
