জোকস

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৯:৪৫
++ এক মহিলার শখ হয়েছে নামজাদা এক চিত্রশিল্পীকে দিয়ে পোট্রেট আঁকানোর। যথাসময়ে পোট্রেটটি এঁকে মহিলার কাছে নিয়ে এলেন ওই শিল্পী। ছবিটি তার খুব পছন্দও হলো। কিন্তু তবু তিনি শিল্পীকে ডেকে বললেন সবকিছু ঠিক রেখে শুধু গলায় একটা দামি হিরের নেকলেস এঁকে দিতে। শিল্পী যখন মহিলার এই অদ্ভুত খেয়ালের কারণ জানতে চাইলেন তখন তিনি বললেন, ‘আমি চাই কোনো কারণে আমি মারা যাওয়ার পরে যদি আমার স্বামী আবারও বিয়ে করে তখন তার নতুন বৌ যেন এই দামি নেকলেসের ছবি দেখে ওর (স্বামীর) কান ঝালাপালা করে দেয়!’ ++ সরকারি চাকরিতে করিম সাহেবকে বদলি করে পাঠানো হলে ছোট্ট এক মফস্বল শহরে। সেখানে এমনিতে সবকিছুই খুব ভালো। কিন্তু রাত হলে মশার এতো উত্পাত শুরু হয় যে টিকে থাকাই দায়। এদিকে করিম সাহেবের আবার রাতে মশারি টাঙিয়ে ঘুমানো ধাতে সয় না। আবার মশার ওষুধেও ইদানিং আর কাজ হয় না। এরই মাঝে তার এক সহকর্মী জানালেন যে এলাকায় নাকি এক গুনীন আছে যিনি মশা তাড়ানোর মন্ত্র জানেন। কথাটা শোনার পর আর দেরি করলেন না। প্রায় সাথে সাথেই গুণীনের সাথে দেখা করে তার মন্ত্র পড়া কাগজখানা নিয়ে এলেন। কিন্তু পর পর তিনদিন এই কাগজ ঘরের কোণায় লাগিয়ে রেখেও কোনো ফল হলো না। অগত্যা বেশ রাগ হয়েই তিনি আবারও গেলেন সেই গুণীনের কাছে। জানালেন তার অভিযোগের কথা। শুনে গুণীন বললেন, ‘এমন তো হওয়ার কথা নয়। নিশ্চয়ই কোথাও একটা গন্ডগোল হচ্ছে। চলুন আপনার বাসায় গিয়ে একবার দেখা যাক।’ বাসায় গিয়ে দেখা গেল করিম সাহেবের অভিযোগই ঠিক। কাগজ ঠিকই কাগজের জায়গায় ঝুলছে। কিন্তু মশা কমার নাম নিশানা পর্যন্ত নেই। কিন্তু এতে দমে না গিয়ে গুণীন মুখে তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটিয়ে বললেন, ‘দেখেছেন, আমি আগেই বুঝেছিলাম যে কোথাও না কোথাও একটা গন্ডগোল আছে। মশার হাত থেকে বাঁচতে হলে আপনাকে তো মশারি টাঙিয়ে তার ভেতর এই কাগজটা আটকে দিতে হবে। আর তা না করে আপনি কি না...।’