যমুনা নদী তার আগ্রাসী রূপ নিয়ে ক্রমেই পূর্বদিকে ধাবিত হচ্ছে। আর পশ্চিমদিকে জেগে উঠছে বিশাল চর।
সরেজমিনে জানা যায়, ভূঞাপুরের যমুনা নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে দ্রুত বদলে যাচ্ছে নদীর গতিপথ। যমুনার পূর্ব পাড়ে ভূঞাপুরের প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে প্রতি বছর তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে যমুনার ভাঙন। নলছিয়া গ্রামে যমুনার ভাঙন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের ১০০ গজের মধ্যে চলে এসেছে। যমুনার পূর্ব পাড়ে ভাঙন রোধে এখনই স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়া না হলে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব টোল প্লাজা ও সেনানিবাসের পূর্ব দিয়ে নতুন গতিপথ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। প্রকাশ,প্রভাবশালী গোষ্ঠী ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অসাধু কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। এতে যমুনার পূর্ব পাড়ে ভূঞাপুর উপজেলার তাড়াই-বলরামপুর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পলশিয়া পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ভাঙন চলছে। এদিকে ভূঞাপুর উপজেলার খানুরবাড়ি-জিগাতলা গাইড বাঁধের তলদেশেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। সেতু কর্তৃপক্ষ ওই ভাঙন ঠেকাতে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকার বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধ করার কথা থাকলেও সেখানে নামেমাত্র কিছু জিও ব্যাগ ফেলে বাকি টাকা বিবিএর কর্মকর্তাদের দুর্নীতির কারণে লোপাট হয়ে গেছে।
