কাঁঠালিয়ায় প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা প্রশাসন ও শিক্ষক সমিতি মুখোমুখি

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২০:৫০
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসারের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় প্রাথমিক শিক্ষা বেহাল দশায় উপনীত হয়েছে। প্রতিবাদ করতে গিয়ে উপজেলা শিক্ষক সমিতির সেক্রেটারীকে সাময়িক বরখাস্ত ও সভাপতিসহ ৩ শিক্ষক নেতা বিভাগীয় মামলার শিকার হয়েছেন। বর্তমানে শিক্ষক ও শিক্ষা প্রশাসন মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে সখ্যতা রয়েছে মর্মে প্রচার করে উপজেলা শিক্ষা অফিসার বীরদর্পে অনিয়ম করে। তার নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে শতাধিক শিক্ষক স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগপত্র প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালকের বরাবরে প্রেরণ করা হয়েছে। এ অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে ৫০ নং কৈখালী-দোগনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকা শিক্ষা অফিসারকে ম্যানেজ করে বরিশাল বিএম কলেজে উদ্ভিদ বিজ্ঞানে (সম্মান) নিয়মিত লেখাপড়া করছেন। অথচ ওই শিক্ষিকার স্কুলের শিক্ষক হাজিরা খাতায় প্রতিদিন উপস্থিতি দেখিয়ে মাসের শেষে বেতন-ভাতা উত্তোলন করা হচ্ছে। অভিযোগে প্রকাশ, শিক্ষকদের পদোন্নতি, পেনশনের টাকা উত্তোলন, বদলি, পিটিআইতে প্রেরণসহ বিভিন্ন খাতে উক্ত শিক্ষা অফিসার সুবিধা নিয়ে থাকে। ভুয়া অভিজ্ঞতা দেখিয়ে ৪নং পূর্ব বাঁশবুনিয়া রেজি: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। অফিসের সরকারি মোটর সাইকেলটি উক্ত শিক্ষা কর্মকর্তার ছেলে নিজ বাড়ি মঠবাড়িয়া উপজেলায় ব্যবহার করছে। অবৈধভাবে ছুটি প্রদান, পরীক্ষায় ভুয়া ভাউচার, অযোগ্য শিক্ষককে নিরীক্ষক নিয়োগ ইত্যাদি ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম মিলন নানা অভিযোগের ফিরিস্তি দিয়ে বলেন, তিন শিক্ষককে বিভাগীয় মামলার ব্যাপারে হাইকোর্টে মামলা করে তা স্থগিত করতে হয়েছে। তার বিরুদ্ধে শিক্ষকদের আনিত অভিযোগগুলো উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা অস্বীকার করে মুঠো ফোনে জানান, “৫০ নং কৈখালী-দোগনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা বিএম কলেজে অনার্সে অধ্যয়ন করছেন এ ব্যাপারে আমার কাছে কোন তথ্য নেই।