ফেনীর নারী ও শিশু নর্যাতন দমন আদালত-২ এর বিচারক মুহম্মদ হারুনুর রশিদ এক রায়ে অপহরণ করে আটক রেখে ধর্ষণের অভিযোগে কাউছার আহম্মদ বাবুল নামে একজনকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছর কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি কাউছার আহম্মদ বাবুল অনুপস্থিত ছিলেন।
বাদির অভিযোগ ও আদালত সূত্র জানায়, ২০০৮ সালের ৩০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম বিজয় সিংহ গ্রামের আবদুস ছোবহানের ছেলে কাউছার আহাম্মদ বাবুলের নেতৃত্বে সাতজন একই গ্রামের এক তরুণীকে বাড়ি থেকে অপহরণ করে ঢাকার বাড্ডায় একটি বাসায় আটকে রাখে। সেখানে তার নিকট থেকে জোরপূর্বক তিনটি অলিখিত স্ট্যাম্পে এবং কয়েকটি কাগজে স্বাক্ষর আদায় করে। এরপর কাউছার আহাম্মদ বাবুল প্রায় সাড়ে চার মাস ওই যুবতীকে আটক রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। ২০০৮ সালের ১১ মে ওই যুবতী পালিয়ে সেখান থেকে তার বাবার বাড়ি পশ্চিম বিজয় সিংহ গ্রামে চলে যায়। ১৮ মে তিনি নিজে বাদি হয়ে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে সাতজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত শুধু কাউছার আহাম্মদ বাবুলকে আসামি হিসাবে রেখে অন্যদের অব্যাহতি প্রদান করে।
