গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থানা হাজতের ল্যাট্রিন থেকে অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীর পিস্তল ও ১০ রাউন্ড গুলি উদ্ধারের ঘটনায় এএসআইসহ ৪ পুলিশকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এরা হলেন টুঙ্গিপাড়া থানার এএসআই এনামুল হক, কনস্টেবল মোঃ আসাদ, আব্দুল¬াহ হেল কাফী ও আব্বাস। গত ২৮ জানুয়ারি অতি গোপনে তাদের গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়। এ ঘটনায় অভিযোগের তীর টুঙ্গিপাড়া থানার ওসির দিকে থাকলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ১৪ অক্টোবর টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি হাবিবুল্লাহ সরকার ঐ ৪ জনকে অভিযুক্ত করে পুলিশ সুপার বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করেন।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিকালে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার সিঙ্গিপাড়া বাজার থেকে একাধিক মামলার আসামি মামুন ফকিরকে ১ বোতল ফেনসিডিলসহ টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশ গ্রেফতার করে। থানার ওসি হাবিবুল্ল¬াহ সরকার থানায় মামুনের পকেট থেকে ২৫ হাজার টাকা উদ্ধার করে হাজতে ঢুকাতে বলেন। এ সময় কর্তব্যরতরা তার দেহ তল্ল¬াশীর কথা বললে ওসি তার দেহ তল্ল¬াশী করেছেন বলে হাজতে ঢুকানোর নির্দেশ দেন। পরে মামুন হাজতের ল্যাট্রিনে ঢুকে জাঙ্গিয়ার মধ্যে লুকিয়ে রাখা একটি পিস্তল ও ১০ রাউন্ড গুলি প্যানের মধ্যে ফেলে দেয়। রাতে গোপালগঞ্জের ডিবি পুলিশ মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে অস্ত্র ও গুলি প্যানে ফেলে দেয়ার কথা স্বীকার করে। পরে ডিবি পুলিশ ল্যাট্রিনের প্যান ভেঙ্গে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে।
ঘটনার দিন টুঙ্গিপাড়া থানার ডিউটি অফিসার পিএসআই মিজানুর রহমান বলেন, গ্রেফতারের পর মামুনকে ওসি নিজেই থানায় নিয়ে আসেন। তিনি তার পকেট থেকে ২৫ হাজার টাকা উদ্ধারসহ থানা হাজতে ঢুকানোর সমস্ত কাজ নিজেই সম্পন্ন করেন।
