দিল্লিতে গণধর্ষণ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:০৩
ভারতের দিল্লিতে গত বছরের ডিসেম্বরে এক মেডিক্যাল ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে চার্জ গঠন করেছে বিশেষ দ্রুত বিচার আদালত। আগামী মঙ্গলবার থেকে বহুল আলোচিত এই মামলাটির শুনানি শুরু হবে। এদিকে ধর্ষণবিরোধী আইন প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটির নারীরা। খবর এনডিটিভির। অভিযুক্তরা হলো রাম সিং, তার ভাই মুকেশ, ভিনয়, পবণ এবং অক্ষয়। তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছে। বাকি একজনের বিচার কিশোর আদালতে হবে। তার বয়স ১৭ বছর ৬ মাস। গতকাল শনিবার চার্জ গঠনের পর আদালত ৫ ফেব্রুয়ারি মামলার শুনানির দিন ধার্য করেন। মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। ভারতের পেনাল কোডের ১৩ ধারা অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিচার হবে। কিশোরের সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে তিন বছরের কারাদণ্ড। আগামী সপ্তাহে পুলিশ এই মামলার সম্পূরক চার্জশিট দেবে। এই চার্জশিটে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন যুক্ত করা হতে পারে। গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর বাসে করে বাড়ি ফেরার পথে বাসে আমানতকে (ছদ্মনাম) গণধর্ষণ করে বাসের চালক, তার ভাই ও বন্ধুরা। তারা আমানতের পুরুষ বন্ধুটিকেও এ সময় রড দিয়ে মারধর করে এবং বাস থেকে উভয়কে ফেলে দেয়। দেশে এবং বিদেশে চিকিত্সার পর ২৯ ডিসেম্বর মেয়েটি মারা যায়। শুক্রবার ধর্ষণবিরোধী একটি আইন দেশটির মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেয়া হয়। এই আইনকে প্রত্যাখ্যান করেছেন নারীদের একটি গ্রুপ। অল ইন্ডিয়া প্রগ্রেসিভ উইমেনস এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ গতকাল এক বিবৃতিতে আইনটিতে স্বাক্ষর না করার জন্য প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জিকে আহবান জানিয়েছেন। ধর্ষণবিরোধী আইন তৈরিতে বিচারপতি জেএস ভার্মার নেতৃত্বে গঠিত কমিটি যেসব সুপারিশ করেছিল সেগুলোর অনেকটা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে বলে বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন।