স্টাডি সার্কেলের প্রশ্ন ও উত্তর

আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৯:০৮
স্টাডি সার্কেলের বন্ধুরা ও শিক্ষার্থীরা, গত ২৮ জানুয়ারি সোমবার স্মরণীয় যাঁরা বরণীয় যাঁরা অংশে মাইকেল মধূসুদন দত্ত ’র জীবনালোকের উপর ভিত্তি করে গত বুধবার কয়েকটি প্রশ্ন দেয়া হয়েছিল । প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর তৈরি করে পাঠিয়েছে আমাদের ঐক্য, সাম্য,সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, হ্রদ্যতা, মৈত্রি,সততা স্টাডি সার্কেলের পিরোজপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী- ফারহীন আহম্মেদ, জয়িতা মন্ডল, বিজয়িনী হালদার, সংযুক্তা চক্রবর্তী, গার্গী চ্যাটার্জী, অর্পিতা বৈরাগী, ইসরাত জাহান, সিফাতী সিকদার, ফাহমিদা মাহাজাবিন, বর্ণিতা বাড়ৈ, সাবরিনা মেহেরীন ও চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী- ইসরাত জেরিন, মাহিমা রহমান মেধা, জেরিন আক্তার লিয়া, সাবরিনা সুলতানা সেফা, সোহাদা রহমান, সাদিয়া আক্তার, আফিয়া আনজুম, সওদা ইসলাম ত্বোয়া, সাদিয়া ইসলাম মমি, নওশীন এহসান এশা, তানিশা রহমান, সিছাতুন্নেছা মিম, লাবিবা জামান হূদিতা, কামরুন্নাহার সুমা, সাদিয়া আফরোজ দিনা, সাবরিন তাবাচ্ছুম প্রমীম, শ্রেয়শী সমদ্দার, জারিন তাসনিম, নাফিছা আনজুম ও কারমাইকেল কলেজের ছাত্র সঞ্জীব কুমার চক্রবর্তীর্ , এবং প্রশান্ত কুমার ঘটক রায়। প্রশ্ন :মাইকেল মধূসুদন দত্ত ’র পরিচয় দাও। উত্তর : বাংলা সাহিত্যের যুগ-প্রবর্তক কবি। ২.তাঁর জন্ম স্থান কোথায় এবং কতসালে জন্মগ্রহণ করেন? উত্তর:কপোতাক্ষ নদের তীরবর্তী গ্রাম সাগরদাঁড়ী, জেলা যশোর। এই গ্রামেই এক সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন মধুসূদন দত্ত ২৫ জানুয়ারি ১৮২৪ ৩.তার বাবা কে ছিলেন? পেশায় তিনি কি ছিলেন? উত্তর :পিতা রাজ নারায়ণ দত্ত ছিলেন পেশায় আইনজীবী। মাতা জাহ্নবী দেবী। ৪.তাঁর শিক্ষা জীবনের কথা কি জানো? উত্তর :মধূসুদন ভর্তি হলেন কলকাতার হিন্দু কলেজে। এ কলেজে পড়ার সময়ই কিশোর মধুসূদনের মধ্যে তৈরি হয় পাশ্চাত্যপ্রীতি। ৫.কর্মজীবনে তিনি কি ছিলেন? উত্তর: কর্মজীবনে তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যপ্রেমি। ৬. তিনি কিভাবে শ্রী মধুসূদন দত্ত হয়ে যান মাইকেল মধুসূদন দত্ত? উত্তর: হঠাত্ করেই মধূসুদন ধুতি ছেড়ে আচকান-পায়জামা ধরলেন। তারপর সোজাসুজি সাহেবি কোট-প্যান্ট। ইংরেজি সাহিত্যে খ্যাতি পাবার মোহ তাঁকে পেয়ে বসলো। উচ্চাভিলাষী মধুসূদন যশ, খ্যাতি, সাফল্য পাবার জন্য এতটাই মোহাচ্ছন্ন হয়ে পড়েন যে স্বধর্ম, স্বদেশ, স্বজাতি, স্বজন ত্যাগ করে খ্রীষ্টান ধর্মে দীক্ষিত হন। পিতার সাথে তাঁর একসময় সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। শ্রী মধুসূদন দত্ত হয়ে যান মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ৭.মাইকেল মধূসুদন দত্ত’র কয়েকটি রচনাবলীর নাম লিখ। উত্তর:তিনি প্রথম বাংলা সাহিত্যে ‘কৃষ্ণকুমারী’ নামে ট্র্যাজেডি নাটক রচনা করেন। এছাড়া ‘তিলোত্তমাসম্ভব’, ‘ব্রজাঙ্গনা’, ‘বীরাঙ্গনা’, ‘পদ্মাবতী’, ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ প্রভৃতি রচনা করেন। ৮.মাইকেল মধূসুদন দত্ত মৃত্যুসন লেখ। উত্তর :তিনিপরলোকগমন করেন ২৯ জুন ১৮৭৩। ৯.তাঁকে নিয়ে তোমার অভিমত ব্যক্ত কর। উত্তর :মধূসুদন প্রাচ্য এবং পাশ্চাত্য সাহিত্য-সংস্কৃতির বিশাল ভুবনে পরিভ্রমণ করেছেন। অর্জন করেছেন সংস্কারমুক্ত চেতনা। তাঁর আহরিত রূপ-রুচি-সৌন্দর্য-শিল্প বিভিন্ন বিষয় বাংলা সাহিত্যের গতানুগতিক আঙ্গিকে নিয়ে আসে নবতর শিল্প-সুষমা। ১০. মাইকেল মধূসুদন দত্তের সাহিত্য সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ নিদর্শন কি? উত্তর :মাইকেল মধূসুদন দত্তের সাহিত্য সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ নিদর্শন ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ (১৮৬১)।