নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে গেল এক বছরে ৪০ ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসব ব্যক্তি খুন, আত্মহত্যা, সড়ক দুর্ঘটনা ও বিদ্যুত্ স্পর্শে মারা যায়। একই সময়ে অপমৃত্যুর মত সমান সংখ্যক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনা থানায় রেকর্ডভূক্ত হলেও মামলা ও সাজা হয়েছে সামান্য সংখ্যক। ফলে এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত অপরাধীরা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছে। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২০১২ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৪০ জন নারী-পুরুষ অপমৃত্যুর শিকার হয়। পুলিশ এসব ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত সম্পন্ন করে। তবে বেসরকারিভাবে হিসাবে এ সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়ে যাবে। শক্রতা, জমিজমা বিরোধ, দাম্পত্য কলহ, পরকীয়া ও গাড়ি চাপায় এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে দুর্বৃত্তের হাতে খুন ৫ জন, গলায় ফাঁস দিয়ে ১১ জন, সড়ক দুর্ঘটনায় ১৩ জন ও বিদ্যুত্স্পর্শে ৪ জনের মৃত্যু হয়। বাদ বাকিরা নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা যান। এই অপমৃত্যুর সঙ্গে সমান সংখ্যক নারীও ধর্ষিত হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে ছাত্রী, প্রেমিকা ও গৃহবধূ। অনেকের মতে, থানা পুলিশের ঝামেলা, বিচার না পাওয়ার দৃষ্টান্ত ও লোকলজ্জার কারণে অনেক ঘটনাই থানা পর্যন্ত গড়ায়নি।
