সরকার বিগত কয়েক মাসে ঢাকা মহানগরসহ দেশব্যাপী প্রত্যেক থানার মৌজা ওয়ারি ‘ক’ ও ‘খ’ তফসিলভুক্ত অর্পিত সম্পত্তির তালিকা প্রকাশ করেছেন। ‘ক’ তফসিল এবং ‘খ’ তফসিল উভয় প্রকার অর্পিত সম্পত্তির তালিকা প্রস্তুত ও প্রকাশকালে কোনোরূপ সরেজমিনে তদন্ত না করে কেবল সংশ্লিষ্ট দপ্তরের রক্ষিত সূচি ও নথি অনুযায়ী ঐ তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যা আদৌ সঠিক হয়নি। অন্যদিকে ঢাকা মহানগর সিটি জরিপ সম্পন্ন হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মোকদ্দমা দায়ের করেছিলেন। যেগুলো বিচারাধীন থাকাবস্থায় বিষয়টি আমলে না নিয়ে সিটি জরিপের বিরুদ্ধে বিচারাধীন ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সিটি জরিপের রেকর্ডের উপর বর্তমান ‘খ’ তফসিল অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যা একই বিষয়ে দ্বিমুখী আইনি কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত হবে। বিশেষ করে ঢাকার ডেমরা থানার ডগাইর মৌজার ‘খ’ তফসিলিস্থ সম্পত্তির উপর সিটি জরিপে ১/১ খতিয়ানের প্রস্তুতকৃত তালিকাটি কয়েক হাজার ভূমির উপর দেখানো হয়েছে। অথচ ঐ খতিয়ানের ব্যাপারে সংক্ষুব্ধ পক্ষ সংশ্লিষ্ট ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মোকদ্দমা করেছেন। যেগুলো বিচারাধীন অবস্থায় পুনরায় ‘খ’ তফসিলভুক্ত দেখানো হয়েছে। তাই জনগণের ভোগান্তি লাঘবে ‘খ’ তফসিলে প্রকাশিত গেজেট পর্যালোচনাক্রমে সরকারের সংশ্লিষ্ট ভূমি মন্ত্রণালয়ের অংশ পদক্ষেপ গ্রহণ আবশ্যক।
এম এম সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট,
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, পূর্ব ডগাইর, ডেমরা, ঢাকা
