দুই দিন বিরতির পর গতকাল রবিবার বিকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হলে দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রথমেই ছিলো মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর পর্ব। তারকা চিহ্নিত ২৬১ নম্বর প্রশ্ন সংসদে উত্থাপিত হওয়ার কথা জানিয়ে ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব.) শওকত আলী বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে জবাব দেবেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান। একইভাবে ডেপুটি স্পিকার বলেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে ২৬২ নম্বর প্রশ্নের জবাব দেবেন সংস্কৃতি মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ। অপরদিকে তারকা চিহ্নিত ২৬৫ নম্বর প্রশ্ন উত্থাপন করতে ডা. মোস্তাফা জালাল মহিউদ্দিনের নাম আহবান করে ডেপুটি স্পিকার দেখেন—সদস্যের নির্দিষ্ট আসন শূন্য। তখন তিনি প্রশ্নটি উত্থাপন করতে সংসদ সদস্য মো. আবদুর রহমানকে ফ্লোর দেন। এর আগে বেগম মাহজাবীন মোরশেদের অনুপস্থিতিতে তার ২৬৩ নম্বর প্রশ্ন উত্থাপনের জন্য বেগম নূর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরীকে ফ্লোর দেয়া হয়।
সম্পূরক প্রশ্নে অনীহা
সামশুল হক চৌধুরীকে ডেপুটি স্পিকার সম্পূরক প্রশ্ন করার জন্য ফ্লোর দেন। তিনি নিজ আসনে দাঁড়িয়ে বলেন, আমি সম্পূরক প্রশ্ন করতে চাই না। কারণ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী সংসদে উপস্থিত থাকলে প্রশ্ন করতাম। জবাব দিচ্ছেন অন্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। আর তাই আমি সম্পূরক প্রশ্ন করবো না। এরপরই বগুড়ার সংসদ সদস্য আবদুল মান্নানকে সম্পূরক প্রশ্ন করতে আমন্ত্রণ জানানো হলে তিনিও সবিনয়ে না বলেন। অবশ্য তিনি বলেন, বাণিজ্য সংক্রান্ত প্রশ্ন এলে যেন সম্পূরক প্রশ্ন করার জন্য ফ্লোর দেয়া হয়।
‘আমাকে সুযোগ দিলেন’
সংসদ সদস্য বেগম তহুরা আলীকে সম্পূরক প্রশ্ন করতে ডেপুটি স্পিকার ফ্লোর দেন। এ সময় তিনি দাঁড়িয়ে বলেন, অনেক দিন পর আমার দিকে আপনি তাকালেন। আমি একটি প্রশ্ন করার সুযোগ পেলাম। জবাবে ডেপুটি স্পিকার বলেন, মাননীয় সদস্য কথাটি কিন্তু সঠিক নয়। আমি আপনাকে সুযোগ দিই।
