বরিশাল বিএম কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ননী গোপাল দাসের বদলির আদেশ বাতিলের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে ছাত্রলীগের একাংশের আন্দোলনের কারণে চতুর্থ দিনের মত গতকাল সোমবারও কলেজে কোন একাডেমিক কার্যক্রম হয়নি। আন্দোলনকারীরা নতুন নিয়োগ পাওয়া অধ্যক্ষ শংকর দত্তের যোগদান ঠেকাতে গতকাল ভোরেই ক্যাম্পাসের মূল ফটক, প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনে তালা লাগিয়ে দিয়ে বিক্ষোভ করে। তারা টায়ার জ্বালিয়ে সড়কে অগ্নিসংযোগ করে সড়ক অবরোধ করে। গত বুধবার অধ্যক্ষ ননী গোপালকে খুলনার বিএল কলেজের অর্থনীতি বিভাগে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়। ওই রাতেই ছাত্রলীগের একাংশের নেতা-কর্মীরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই আদেশ বাতিলের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। বৃহস্পতিবার তারা ক্যাম্পাসে গিয়ে সকল একাডেমিক ভবন ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয় । আদেশ বাতিলের আশায় থাকা অধ্যক্ষ ননী গোপাল রবিবার পর্যন্ত নতুন অধ্যক্ষ বা উপাধ্যক্ষ’র কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দেয়ায় তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়। অধ্যক্ষ ননী গোপাল জানিয়েছেন, তিনি আন্দোলনের মুখে বৃহস্পতিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পেরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অবমুক্ত পত্র পাঠিয়েছেন। ওই পত্রের আলোকে উপাধ্যক্ষ প্রফেসর নজরুল ইসলামকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দায়িত্ব পাওয়ার কথা স্বীকার করে উপাধ্যক্ষ প্রফেসর নজরুল ইসলাম ইত্তেফাককে জানান- তিনি নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শংকর দত্তকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিবেন। আপাতত তিনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ’র দায়িত্বে থাকলেও প্রশাসনিক ভবনে আন্দোলনকারীরা তালা ঝুলিয়ে রাখার কারণে তিনি কাজ করতে না পেরে ক্যাম্পাস থেকে গতকাল ফিরে যান। নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগ পাওয়া শংকর দত্ত সাংবাদিকদের জানান, তিনি ২/১দিনের মধ্যে বিএম কলেজে যোগদান করবেন।
