নিজস্ব অর্থায়নে শিগগিরই পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হবে

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:২৭
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রিসভার সদস্যদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, চিন্তার কারণ নেই, পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শিগগিরই শুরু হবে এবং তা হবে নিজস্ব অর্থায়নে। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী এ কে এম মোতাহার হোসেন বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চান ‘বর্তমান সরকারের মেয়াদে পদ্মা সেতু নির্মাণ হবে কিনা? এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। এছাড়া আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু নির্মাণে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা এবং অর্থায়ন সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরবেন। সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান। বৈঠকে বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে বিদ্যমান দ্বৈত করারোপ পরিহার চুক্তি সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে গতকাল দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইঞা সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। তিনি জানান, ভারতের পক্ষ থেকে আর্টিকেল ২৮ সংশোধনের প্রস্তাব করে ২টি অনুচ্ছেদ সংযুক্ত করার প্রস্তাব দেয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক এব্যাপারে ভিন্ন মত পোষণ করেছিল। পরে আয়কর দাতাদের তথ্য গোপন রাখা হবে’ এই শর্তে ব্যাংক সম্মত হয়েছে। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বিদ্যমান দ্বৈত করারোপন চুক্তি পরিহার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে বা এটি সংশোধিত হলে একজন করদাতাকে আর দু’দেশে দু’বার কর দিতে হবে না। একই সঙ্গে এই চুক্তির বলে ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয় ব্যবসায়ীর আয়কর সংক্রান্ত ব্যাংক তথ্য আদান প্রদান করতে পারবে। মোশাররাফ হোসাইন জানান, বাংলাদেশের পক্ষে থেকে এ চুক্তির আর্টিকেল ২১ সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। আগে এই চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ভারতে লেখাপড়ার ক্ষেত্রে তাদের খরচ বাবদ ১৫ হাজার (স্কলারশিপের) ভারতীয় টাকা করমুক্ত ছিল। চুক্তি সংশোধনের ফলে একজন শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় সকল অর্থ করমুক্ত থাকবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে পদ্মা সেতুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোন আলোচনা হয়নি। এ বিষয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে। তবে তিনি এই অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় ছিলেন না বলে জানান।