ভোলা-বরিশাল ৩৩ কেভি গ্রিড সঞ্চালন লাইনের নদীর তলদেশ দিয়ে আনা ১ কিলোমিটার সাবমেরিন ক্যাবল অকেজো হয়ে যাওয়ায় গত দুইদিন ধরে ভোলায় ভয়াবহ বিদ্যুত্ সংকট চলছে। অপরদিকে ভোলার ৩৪.৫ মেগাওয়াট রেন্টাল বিদ্যুত্ কেন্দ্রটি গত শনিবার রাতে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভোলার বেশিরভাগ এলাকায় বিদ্যুত্ নেই। ভোলা শহরে এবং আশেপাশে পটুয়াখালী থেকে আরেকটি বিকল্প লাইন দিয়ে সীমিতভাবে শহরে বিদ্যুত্ সরবরাহ দেয়ার চেষ্টা চললেও ফিডারে ফিডারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলছে লোডশেডিং। পরীক্ষার্থীরা পড়েছে চরম বিপাকে। এছাড়াও পানি সরবরাহ করা যাচ্ছে না। বরিশালের পিডিবিসূত্রে জানা যায়, বরিশাল-ভোলা সঞ্চালন লাইনের কীর্তনখোলা নদীর তলদেশে ১ কিলোমিটার সাবমেরিন ক্যাবল শর্ট সার্কিটে পুরোপুরি অকেজো হয়ে যাওয়ায় ওই লাইন দিয়ে ভোলায় বিদ্যুত্ সরবরাহ করা যাচ্ছে না। খুলনা থেকে ১ কিলোমিটার সাবমেরিন ক্যাবল এনে নদীর তলদেশে স্থাপন করা হবে। এ কাজ শুরু হতে আরো ২-১ দিন লাগবে। রেন্টাল বিদ্যুত্ কেন্দ্রসূত্রে জানা যায়, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হতে অন্তত ১০ দিন লাগবে। পুরনো ইঞ্জিন হওয়ায় তাও নিশ্চিত নয়। বিদ্যুত্ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক জানান, বিদেশি এক্সপার্টের দেয়া আসার তারিখ অনুযায়ী তারা প্লান্ট বন্ধ করেছেন।
