ছোটমণিদের সন্দেশ

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৮:১৫
সারথী কচি-কাঁচার মেলার আনন্দানুষ্ঠান মানিকগঞ্জের গড়পাড়া সারথী কচি-কাঁচার মেলার উদ্যোগে শীতকালীন আনন্দানুষ্ঠান গত ২৬ জানুয়ারি মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার তেওতা গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়। তেওতা কাজী নজরুল ইসলামের স্ত্রী প্রমীলার জন্মভূমি। রাজধানী ঢাকা হতে কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলার পরিচালক খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ, মেলার যুগ্ম পরিচালক দিল মনোয়ারা বেগম মনু, সৈয়দ হাসান সাইদ খোকন, মো. ইয়াহিয়া, আলপনা চৌধুরী, ওয়ালিদসহ প্রায় দুইশত ভাইবোন অংশ নেয়। এছাড়া অনুষ্ঠানে যোগ দেন শিবালয় উপজেলার নির্বাহী অফিসার কে. এম. গালিভ খান, ঢাকা শেরে বাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা দিলারা আফরোজ, অধ্যাপিকা নূরুন নাহার, অধ্যাপিকা হোসনে আরা ডলি, অধ্যাপিকা ইরানি বেগম, অধ্যাপিকা হোসনে আরা আহমেদ লতা, লালমাটিয়া বালিকা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা নাসরিন সুলতানা, শিবালয় উপজেলার আরডিও ও সারথী মেলার উপদেষ্টা হামিদা আহমেদ রত্না, প্রকৌশলী মো. কামাল উদ্দিন, স্থানীয় তেওতা একাডেমীর প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক, তেওতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আ. গফুর, শিক্ষক মো. আরমান আলী, শিক্ষক এ.এফ.এস এম. সামছুল হক, শিক্ষিকা অলোকা রানী পোদ্দার, সমাজ সেবক আফজাল হোসেন খান, নূরে আলম নুরেহুদা, কামালে জামাল, কামালে জালাল, জীবন মিয়া, কৃষিবিদ মো. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বাদল, সাংবাদিক মো. এ.কে. আজাদ, মো. রেজাউল করিম, নজরুল ইসলাম, নিরঞ্জন সাহা, সোহেল রানা, শাহজাহান আলী প্রমুখ। মানিকগঞ্জ জেলার পক্ষে সারথী মেলার ছোট্ট বোন জার্সিয়া সিদ্দিকী অর্থি ও সারথী মেলার যুগ্ম সংগঠক আরিফুল ইসলাম সবুজ, অতিথিদের ফুলের তোড়া দিয়া বরণ করেন এবং সারথী মেলার ছোট্ট ভাই আলীশাহ সিদ্দিকী প্রচ্ছদ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পত্নী প্রমিলার ছবি খালেদ ভাইয়ের হাতে তুলে দেন। প্রমিলার জীবনকাহিনী এবং তেওতা জমিদার বাড়ি সম্পর্কে ছোটদের অজানা প্রশ্নের উত্তর দেন সারথী মেলার প্রতিষ্ঠাতা আবুল খায়ের সিদ্দিকী আবু ও সাংবাদিক বাবুল আক্তার মঞ্জু। কিশোরগঞ্জে হয়ে গেল দিনব্যাপী আঞ্চলিক ছড়া সম্মেলন ‘ছড়ার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি—যাক ছড়িয়ে আলোকদ্যুতি’-এ স্লোগানকে সামনে নিয়ে গত ২৬ জানুয়ারি শনিবার কিশোরগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো দিনব্যাপী আঞ্চলিক ছড়া সম্মেলন। কিশোরগঞ্জ ছড়াকার সংসদের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ ছড়া সম্মেলনে বৃহত্তর ময়মনসিংহের ৬ জেলাসহ ঢাকা, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কুষ্টিয়া, মাদরীপুর, চুয়াডাঙ্গা, জয়পুরহাট, যশোর, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ, পাবনা, কুমিল্লাসহ মোট ৩৩টি জেলার পাঁচ শতাধিক ছড়াকার ও কবি উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনের শুরুতে সংগঠনের সভাপতি ও সম্মেলন বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য সচিব বিশিষ্ট ছড়াকার জাহাঙ্গীর আলম জাহান ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ছড়াকার র.ম. পাশার নেতৃত্বে শহরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শিল্পকলা একাডেমী চত্বরে রঙ-বেরঙের পতাকা আর ব্যানার-ফেস্টুনে সজ্জিত উদ্বোধনী মঞ্চে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা ও ৩৩ জেলার প্রতীকী পতাকা উত্তোলন এবং অর্ধশত বেলুন উড্ডয়নের মাধ্যমে সকালে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. জিল্লুর রহমান। প্রথম পর্বে সম্মেলন বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক সাংবাদিক এটিএম নিজামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. সিদ্দিকুর রহমান। দ্বিতীয়পর্বে এ বছর শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্মৃতি পদকে মনোনীত ব্যক্তি যথাক্রমে ছড়াসাহিত্যে আলম তালুকদার, সিরাজুল ফরিদ, সরকার জসীম, আশরাফুল মান্নান, সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল, রইস মনরম, জগলুল হায়দার, সাংবাদিকতায় সাইফুল হক মোল্লা দুলু, কবিতায় কবি বাঁধন রায়ের হাতে উপস্থিত অতিথিরা ক্রেস্ট ও সম্মাননা তুলে দেন। অধ্যক্ষ প্রিন্স রফিক খানের সভাপতিত্বে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক লুত্ফর রহমান রিটন। বিশিষ্ট অভিনেতা খায়রুল আলম সবুজ, বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম, আহমাদ মাযহার, মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, আল জাকির, মনুজুরুর রহমান, বাদল রহমান, অ্যাডভোকেট সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু প্রমুখ। ছড়া সম্মেলনে বিভিন্ন জেলার যে সকল ছড়াকার-কবি উপস্থিত ছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম কয়েকজন হচ্ছেন মুহাম্মদ নাসির উদ্দিন, মালেক মাহমুদ, নাসের মাহমুদ, শফিক ইমতিয়াজ, জসীম মেহবুব, মানজুর মুহাম্মদ, মিজানুর রহমান শামীম, মিলন সব্যসাচী, সোহেল মল্লিক, ইউসুফ আলী এটম, বাতেন বাহার, সোহরাব পাশা, আশিক সালাম, স্বপন ধর, শামসুল ফয়েজ, মহিবুর রহিম, মো. রফিকুল হক আখন্দ, মিলি চৌধুরী, দিলরুবা খানম, অমিত কুমার কুন্ডু, মামুন তরফদার, শাজু রহমান, বেণীমাধব সরকার, ধ্রুবজ্যোতি ঘোষ মুকুল, লুলু আব্দুর রহমান, কাদের বাবু, লোকমান আহম্মদ আপন, রোকন রাইয়ান, তানজিল রিমন, আনোয়ার হাসান, মতিউর রহমান মনির, নজরুল ইসলাম শান্তু প্রমুখ। তৃতীয়পর্বে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ছড়াকারগণ উন্মুক্ত ছড়াপাঠে অংশ নেন। এ পর্বে সভাপতিত্ব করেন লেখক আবুল হাসেম ভূঁইয়া। সন্ধ্যার পর খোকন বয়াতির মনোমুগ্ধকর পালাগানের মাধ্যমে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শেষ হয়।