রাফা, এক টুকরো মেঘের মতো একা, উদাসীন ও বিষণ্ন। ক্লাসের সবার পেছনে বসে আছে। কারও সঙ্গে কথা বলছে না কিংবা বলতে চাইলেও শোনার মতো কাউকে খুঁজে পাচ্ছে না। তার দিকে কারও আগ্রহ নেই। একটু পর বন্ধু আহসানকে পেয়ে খুশিতে বিশ্বজয়ী হাসি দিয়ে অনুযোগের স্বরে বলল, আমার ল্যাপটপের হার্ডডিস্ক অটো ফরম্যাট হয়ে গেছে। এখন আমি কি করি? নো প্রবলেম, আমি আছি না! দ্রুত সাব্বির তার ল্যাপটপ চালু করে ফাইল রিকভার করার জন্য ‘প্যান ডোরা রিকভারি’ সফট ওয়্যার ডাউনলোড করে নিল। এরপর ইনষ্টল করে পর্যায়ক্রমে কাজ করে মুছে যাওয়া ডাটাগুলো উদ্ধার করল। হারানো ডাটাগুলো ফিরে পেয়ে খুশিতে আত্মহারা রাফা বিজয় উল্ল¬াসে মেতে ওঠে। এমনি দৃশ্য দেখা গেল চট্টগ্রামের প্রথম ডিজিটাল কলেজ সাউথ এশিয়ান কলেজে। মারিয়া, অনুরাধা, প্রান্ত পালিত, শাহরিয়ার সাথে কথা বলে জানা গেল, তাদের কাছে শিক্ষাজীবন মানে শুধুই লেখাপড়া নয়, জীবন মানে আরো অনেক কিছু। গল্প, আড্ডা, গান... জীবনের আরেক নাম ‘আনন্দ-বেদনার কাব্য।’
কলেজের অধ্যক্ষ, প্রফেসর এ ওয়াই এম ওবায়দুল আকবর বলেন, ‘আমরা ভালো রেজাল্টধারী ছাত্রদের ভালো রেজাল্ট করিয়ে বাহবা পেতে চাই না বরং সব শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীর সুপ্ত প্রতিভার বিকাশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভিত্তিক পাঠদানের দ্বারা শ্রেণীকক্ষে প্রকৃত শিক্ষাদানের মাধ্যমে সফল মানুষে পরিণত করতে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা শিক্ষাকে ব্যবসা কিংবা চাকরি নয় বরং মহান ব্রত ও সামাজিক জবাবদিহিতা মনে করে শিক্ষাক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আগামীর অগ্রযাত্রায় সকলের সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য’।
