প্রফেশনাল কোর্সে ভর্তিতে সিইউসি’র বিশেষ সুবিধা

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৯:২২
হাই প্রফেশনাল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কোর্সগুলোর মধ্যে ACCA অন্যতম। পুরো বিশ্বে এই পেশাদার বিষয়টি যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, দুবাইসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অ্যাকাউন্টিং ও ফাইন্যান্স হচ্ছে চাকরির বাজারে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন ডিগ্রি। আমাদের দেশেও তাই এই বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহী হয়ে উঠছে। এটি আন্তর্জাতিক ডিগ্রি। যে কারণে পুরো বিশ্বজুড়েই রয়েছে শিক্ষার্থীর কর্মক্ষেত্র। বিশ্বের প্রায় ৮৩টি দেশে এসিসিএ’র নিজস্ব অফিস রয়েছে এবং বাংলাদেশেও এসিসিএ অফিস খুলেছে। এসিসিএ কোর্সটি সিএ, আইসিএমএ, সিআইএমএ, সিপিএ’র সমমানের। এটি জাতিসংঘ এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস-এর সদস্য। বাংলাদেশে এই কোর্স পরিচালনার শীর্ষ প্রতিষ্ঠান চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজ প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং কোর্সে ভর্তিতে স্কলারশিপের সুবিধা প্রদান করছে। এখানে ভর্তি হওয়া সব শিক্ষার্থীই এই সুবিধা পাবেন। ৮১৯১৬৬৩, ০১৭২০৫৫৩২৭৮ নম্বরে ফোন করে এখানে ভর্তি এবং স্কলারশিপের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারবেন। বিবিএ/এমবিএ নাকি এসিসিএ বিবিএ/এমবিএ করতে সময় বেশি লাগে বলে খরচও বেশি হয়। সেই তুলনায় এসিসিএ সম্পন্ন করতে সময়ও লাগে কম এবং খরচও সেই অনুপাতে অনেক কম হয়। এই কোর্স যথেষ্ট সহজ এবং বাংলাদেশের ব্যচেলর ডিগ্রির সমান বিএসসি অনার্স ইন অ্যাপ্লাইড অ্যাকাউন্টিং সম্পন্ন করা যায় তিন বছরে। এ দেশে এই আন্তর্জাতিক প্রফেশনাল ডিগ্রি পরিচালনার শীর্ষ প্রতিষ্ঠান চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজ বিশেষ স্কলারশিপ সুবিধা ছাড়াও টিউশন ফি কমিয়েছে। সিইউসি চার বছরে এফআইএ, সিএটি, এসিসিএ, বিএসসি অনার্স কোর্সের টিউশন ফি করেছে দুই লাখ টাকার কাছাকাছি। এত কম সময়ে এ ধরনের আন্তর্জাতিক ডিগ্রি অর্জন করা অসাধারণ সুযোগ। এসএসসি/এইচএসসি পাশ শিক্ষার্থীরা সিএটি কোর্সে ভর্তি হতে পারে। সিএটি হচ্ছে অ্যাকাউন্টিং কোয়ালিফিকেশন, যেখানে অ্যাকাউন্টিংয়ের বেসিক থেকে শেখানো হয়। এটি করার পর দ্রুত এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। অন্যদিকে এইচএসসি বা ও লেভেল শেষে এফআইএ-তে ভর্তি হয়ে সিএটি সম্পন্ন করা যায়। আবার এ-লেভেল বা যেকোনো বিভাগ থেকে ব্যচেলর ডিগ্রি করা থাকলে সরাসরি এসিসিএ ক্লাসে ভর্তি হওয়া যায়। তবে কারও অনার্স, মাস্টার্স, সিএ, আইসিএমএ কোয়ালিফিকেশন থাকলে ৯টি বিষয় পর্যন্ত অব্যহতি পেতে পারে। এই কোর্সে ভর্তির আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন, অভিজ্ঞতা, কাঠামোগত অবস্থান, ফাইন্যান্সিয়াল ক্যাপাসিটি, শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী পর্যাপ্ত ক্লাসরুম, কম্পিউটার ল্যাব সুবিধা, ইন্টারনেট প্রভৃতি বিষয় পর্যবেক্ষণ করে দেখতে হবে। এ ক্ষেত্রে চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজের রয়েছে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ শিক্ষক, নিজস্ব সফটওয়্যার। যার ফলে এখানকার শিক্ষার্থীদের ফলাফলও অনেক ভালো। এখানকার শিক্ষকরা সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধান করে থকেন। যোগাযোগ :বাড়ি-৫১, রোড-১০/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা।