বামধারার বইয়ের প্রতি পাঠকের আগ্রহ রয়েছে

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:৪৫
প্রধানত বামপন্থি ধারার মার্কসিজমের বই প্রকাশ করে থাকে প্রকাশনী সংস্থা বাঙলায়ন। এ প্রকাশনীর প্রকাশক অস্ট্রিক আর্যু বললেন, রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতি সচেতন পাঠকমাত্রেই আগ্রহ রয়েছে। আমি বামপন্থি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও নিজের এ ধারার বই পাঠের আগ্রহ থেকেই বাঙলায়নকে বিশেষায়িত প্রকাশনা হিসেবে পরিচিত করে তুলতে চেয়েছি। তিনি বলেন, এ ধরনের বই বিক্রি কম হয়। নয় বছর আগে যখন প্রথম মেলায় অংশ নিয়েছি তখন যে পরিমাণ বই বিক্রি হতো এখন বিক্রি তার অর্ধেকে নেমে এসেছে। মানুষের এখন ক্যারিয়ার বিষয়ক বা আর্থিক উন্নতি ঘটে এ ধরনের বিষয়ের বইয়ের প্রতি আগ্রহ বেশি। কিন্তু এটাও ঠিক যে, বামধারার কনসেপ্ট এখনো মরেনি। ফলে পাঠকের আগ্রহও এ ধরনের বইয়ের প্রতি রয়েছে। অস্ট্রিক আর্যু বলেন, দেশে ধীরে ধীরে মননশীল ও কোষ গ্রন্থের পাঠক সৃষ্টি হচ্ছে। পাঠকের রুচির পরিবর্তন যেমন ঘটছে তেমনি সংখ্যায় কম হলেও একটি প্রকৃত পাঠকগোষ্ঠী গড়ে উঠছে। যারা শুধু গল্প, উপন্যাস পাঠেই সীমাবদ্ধ থাকছেন না। নানা বিষয় সম্পর্কে পাঠকের আগ্রহ রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের প্রকাশনার মান ঝকঝকে হয়েছে। উন্নত ছাপা, বাঁধাই, সুন্দর মলাট পাঠককে আকৃষ্ট করবেই। কিন্তু বিষয়ের বৈচিত্র্য কম। গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, কবিতার বাইরেও পাঠক বৈচিত্র্যময়তা খোঁজে। এবার বাঙলায়ন ৩০টির মত নতুন গ্রন্থ প্রকাশ করবে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:প্লেখানভের ‘মার্কসবাদের মূল সমস্যা’, ম্যাকিয়া ভেলির ‘দি প্রিন্স’, চিনুয়া আচেবের ‘থিংসফল এপার্ট’, অরুন্ধতী রায়ের ‘দুই বিশ্ব’, শফিক মনজুরের ‘বঙ্গপুরানাম’, শাহাদুজ্জামানের ‘বিসর্গতে দুঃখ’, আইয়ুব হোসেনের ‘প্রথাবিরোধী চলচ্চিত্র’, সিরাজ সিকদারের কবিতা প্রভৃতি।