সারা চট্টগ্রামে একটিমাত্র সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয় আছে। পাশাপাশি আছে একাধিক বেসরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ও। সরকারি থেকে যাঁরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, তাঁরাই বেসরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বেসরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন থেকে শুরু করে উত্তরপত্র মূল্যায়ন এবং ফলাফল প্রকাশ করে থাকেন। সরকারি নীতিমালার আলোকে অনুমোদন নিশ্চয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ছিল। গত ১১ জানুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় যে খবর ছাপা হয়েছে সেটি পড়ে আমি উদ্বিগ্ন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা পত্রিকাকে বলেন, ‘সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয় থেকেই প্রশিক্ষণ নিতে হবে এবং বেসরকারি থেকে বিএড প্রশিক্ষণ নেওয়া কারো কাগজপত্র অনুমোদনের জন্যে পাঠানো হচ্ছে না’। তাহলে ১৯৮৫ সাল থেকে বেসরকারিভাবে গড়ে ওঠা এবং পরবর্তী সময়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে বিএড প্রশিক্ষণ কলেজ কিভাবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। বেসরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ থেকে বিগত সময়ে হাজার হাজার শিক্ষক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে বিএড স্কেলও (সম্মানী) ভোগ করে আসছেন। তাহলে কি বেসরকারি বিএড প্রশিক্ষণ কলেজে সরকারি সিলেবাসভুক্ত বই পড়ানো হচ্ছে না। কেনইবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন প্রণয়ন ও উত্তরপত্র মূল্যায়ন করেন। বিষয়টির প্রতি ঊর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মুহাম্মদ আবদুল খালেক,
লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম
