অপহরণের ১১ দিন পর ট্যাংকিতে মিললো স্কুল ছাত্রের লাশ

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:৩৫
কুমিল্লায় শিহাবউদ্দিন নামের ৪র্থ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রকে অপহরণ করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে সংঘবদ্ধ অপহরণকারীরা। পরে মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে ওই শিশুকে জবাই করে নৃশংসভাবে হত্যার পর লাশ একটি সেপটিক ট্যাংকির মধ্যে ফেলে রাখে। গতকাল বৃস্পতিবার পুলিশ অপহরণকারীদের ৪ জনকে গ্রেফতারের পর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের দেয়া তথ্যমতে অপহরণের ১১ দিন পর সদর উপজেলার রত্নাবতী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলার সদর উপজেলার বেসরকারি রত্নাবতী মাইলস্টোন বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র রত্নাবতী গ্রামের নাজির আলীর ছেলে শিহাবউদ্দিনকে (১০) অপহরণকারীরা গত ২৭ জানুয়ারি একটি পিকনিক পার্টি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে অপহরণকারী চক্র তার পরিবারের নিকট ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ বিষয়ে অপহূত শিহাবউদ্দিনের বাবা নাজির আলী গত ২৯ জানুয়ারি কোতয়ালী মডেল থানায় প্রথমে জিডি ও পরে গত ৪ ফেব্রুয়ারি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মহিউদ্দিন মাহমুদ গতকাল সন্ধ্যায় জানান, পুলিশ গতকাল অপহরণকারী চক্রের ৪ সদস্য ফয়সল, নয়ন, হূদয় ও রবিনকে গ্রেফতার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর শিশুটির লাশ স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ট্যাংকি থেকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বাড়ি রত্নাবতী গ্রামে বলে পুলিশ জানিয়েছে। হূদয় বিদারক এ ঘটনায় এলাকায় হাজার হাজার মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।