যুদ্ধাপরাধের বিচার ইস্যুতে আগের অবস্থানেই যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:৪৫
বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রশ্নে আগের অবস্থানেই আছে যুক্তরাষ্ট্র। ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের আবাসিক আইন উপদেষ্টা লুইস গ্যাবেল বৃহস্পতিবার স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র বিচার বিভাগ আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ শেষে আইন উপদেষ্টা লুইস ফৌজদারি বিচারে আইনজীবীদের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী বিচারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) বিচার প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে লুইস গ্যাবেল বলেন, ‘আমরা আইসিটি সম্পর্কিত কোনো প্রশিক্ষণ দেইনি। আইসিটি সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র কয়েকদিন আগে বিবৃতি দিয়েছে। সেটিই দূতাবাসের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য। এর বাইরে আইসিটি নিয়ে আমরা কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’ জানুয়ারি মাসে মানবতাবিরোধী অপরাধে ফেরারি মাওলানা আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর তার প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের অপরাধের বিচারকে সমর্থন করে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাশা করে, এ বিচারে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করা হবে। গতকালের অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র বিচার বিভাগ থেকে আগত পাঁচ সদস্যের একটি আইনজীবী প্রতিনিধি দল ঢাকা মেট্রোপলিটন সরকারি আইনজীবীদের কার্যালয়ের ২৪ জন সহকারি সরকারি আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ প্রদান করে। ওই আইনজীবীরা গত রবিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আইনজীবীদের বিচারিক দক্ষতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এবারে প্রশিক্ষণের ফলে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রশিক্ষণ পাওয়া আইনজীবীর সংখ্যা দাঁড়ালো প্রায় ১০০ জনে। সমাপনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের আইন উপদেষ্টা চার্লস জেনকিনস, গ্লেন আলেকজান্ডার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।