প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা

আপডেট : ০৩ মে ২০১৯, ১৯:২০

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

হিমন এডওয়ার্ড গমেজ, সিনিয়র শিক্ষক

সেন্ট গ্রেগরী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

 

জলবায়ু ও দুর্যোগ

 

৭. তুমি রাজশাহী জেলায় বাস কর। তোমার এলাকার প্রধান দুর্যোগ কোনটি? দুর্যোগ মোকাবেলায় চারটি পরামর্শ দাও

উত্তর : আমার এলাকায় প্রধান দুর্যোগ হলো খরা।

নিচে দুর্যোগ মোকাবেলায় আমার চারটি পরামর্শ হলো—

১.দুর্যোগ মোকাবেলায় নিজেদের প্রস্তুত রাখব।

২.প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়, জলবায়ুর পরিবর্তন হয় এবং দুর্যোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায় এমন কাজ করব না।

৩.টেলিভিশন, রেডিওসহ গণমাধ্যমে দুর্যোগের পূর্বাভাস জানতে পারলে তা সাথে সাথে এলাকায় মাইকযোগে প্রচার করে মানুষকে সতর্ক করব।

৪.আমাদের সবার ঘরে প্রাথমিক চিকিত্সার ব্যবস্থা রাখব।

৮. তিশা খবরে দেখল উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি গ্রামের নদী, খাল, বিল শুকিয়ে গেছে। ফসল না ফলাতে পেরে কৃষকরা হাহাকার করছে। তিশা খবরে কোন দুর্যোগটি দেখলো? উক্ত দুর্যোগটি কেন হয়? দুর্যোগটির তিনটি কারণ উল্লেখ কর।

উত্তর : তিশা খবরে খরা দুর্যোগটি দেখল। বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে দীর্ঘকাল ধরে শুষ্ক আবহাওয়া ও অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত এবং অল্পসংখ্যক নদী থাকার কারণে খরার প্রবণতা বেশি হয় ।

খরার তিনটি কারণ হলো—

১.গাছপালা কেটে ফেলা।

২.অধিক হারে ভবন নির্মাণের ফলে মাটি কংক্রিটে ঢেকে যায় এবং এই কংক্রিট পানি ধরে রাখে না।

৩.কলকারখানার মাধ্যমে বায়ু দূষণের ফলে তাপমাত্রা বেড়ে যায়, এবং পরিবেশ শুস্ক হয়ে যায়।

৯.ভূমিকম্প কী? বাংলাদেশে কেন ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে? ভূমিকম্পের ঝুঁকি সম্পর্কে তিনটি বাক্য লেখ।

উত্তর : প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠ কেঁপে ওঠাকে ভূমিকম্প বলে।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে।

ভূমিকম্পের ঝুঁকি সম্পর্কে তিনটি বাক্য—

১.বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল অধিক ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল।

২. মৃদু ভূমিকম্প মোকাবেলার ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে দরকারি সতর্কতা অবলম্বন করলে বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

৩.বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে এর দ্বিতীয় ঝুঁকি হিসেবে সুনামি ও বন্যা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

১০.ভূমিকম্প মোকাবিলায় কোন কোন বিষয় মনে রাখতে হবে তা পাঁচটি বাক্যে লেখ।   

উত্তর : ভূমিকম্প মোকাবিলায় যেসব বিষয় মনে রাখতে হবে তা নিচে পাঁচটি বাক্যে দেয়া হলো—

১.ভূমিকম্পের সময় পুরোপুরি শান্ত থাকতে হবে।

২.প্রথম ভূকম্পন থেমে যাবার পর সারিবদ্ধভাবে ঘর থেকে বের হয়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নিতে হবে।

৩.বিছানায় থাকলে বালিশ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখতে হবে।

৪.কাঠের টেবিল বা শক্ত কোনো আসবাবপত্রের নিচে আশ্রয় নিতে হবে।

৫.বারান্দা, আলমারি, জানালা বা ঝোলানো ছবি থেকে দূরে থাকতে হবে।