জোকস

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৯:১১
মস্কোয় সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা চলছে। কর্মশালার বিষয় হলো কর্মক্ষেত্রে সচেতনতা বাড়ানো ও মিথ্যা বলা প্রতিরোধ এবং এ বিষয়ে কর্মকর্তাদের করণীয়। তিনদিনের কর্মশালার প্রথম দিন শেষে প্রশিক্ষক বললেন, ‘আগামীকাল আমি আপনাদের কর্মক্ষেত্রে মিথ্যা বলার শাস্তি নিয়ে পড়াব। তবে সে জন্য আপনারা সবাই প্রশিক্ষণ সহায়িকার বই থেকে ১১ নম্বর অধ্যায়টি পড়ে আসবেন। প্রশিক্ষকের এই কথা অনুযায়ী যথারীতি পরের দিনের কার্যক্রম শুরু হলো। শুরুতেই প্রশিক্ষক ক্লাসে উপস্থিত কর্মকর্তাদের মধ্যে কে কে ১১ নম্বর অধ্যায়টি পড়ে এসেছেন তা জানতে চাইলেন। দেখা গেল পুরো ক্লাসে মাত্র দু’জন বাদে বাকি সবাই হাত তুলল। সবাইকে হাত নামাতে অনুরোধ করে প্রশিক্ষক বললেন, ‘আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আপনাদের দেওয়া সহায়িকাতে ১১ নম্বর অধ্যায় বলে কোনো অধ্যায় ছিল না। সেখানে মোট অধ্যায় ছিল নয়টি। সে যাই হোক, এখন আমি আপনাদের বুঝিয়ে বলব কর্মক্ষেত্রে মিথ্যা বলার শাস্তি কী সে সম্পর্কে! এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তারই অফিসের এক কেরানীর কাছে ফোন দিয়ে দু’টি ফাইল সম্পর্কে জানতে চাইলেন— :হ্যালো রহিম অ্যান্ড সন্সের ফাইলটার কী খবর? :জ্বি স্যার, ওটা এখন আমাদের বিভাগের বিবেচনাধীন অবস্থায় আছে। :আর সাত্তার এন্টারপ্রাইজের ফাইলটার কী অবস্থা। :স্যার, ওটা বিশেষ বিবেচনায় আছে। :আশ্চর্য বিষয়! এই বিবেচনা আর বিশেষ বিবেচনার মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়? :জ্বি স্যার পার্থক্যটা হলো, আমাদের এখানে ফাইলের যে পাহাড় জমে থাকে সেই ফাইল জটের মধ্যেই কোনো এক জায়গায় রহিম অ্যান্ড সন্সের ফাইলটা হারিয়ে গেছে। তবে আপনাকে যেহেতু বলেছি এই ফাইলটি বিবেচনাধীন, তার মানে অফিসের সবাই এটা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। আর সাত্তার এন্টারপ্রাইজের ফাইলটিও হারিয়ে গেছে। তবে সেটা আমরা খোঁজা শুরু করব কি না কিংবা খুঁজলে আদৌ পাওয়া যাবে কি না সেটা নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। এ কারণে এটা বিশেষ বিবেচনায় আছে!