কক্সবাজারের উখিয়ায় গতকাল শুক্রবার যুবলীগের কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা সভাস্থলে তুমুল হট্টগোল করেছে। এ সময় কক্সবাজার জেলা যুবলীগ সভাপতির গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। প্রতিবাদে নেতাকর্মীরা কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের কোটবাজারে ব্যারিকেড সৃষ্টি করলে যান চলাচল সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়। এসময় দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতির ঘটনায় ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে পালংখালী ইউনিয়ন যুবলীগের পূর্ব নির্ধারিত কাউন্সিল অধিবেশনে এ ঘটনা ঘটে। উখিয়া যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আবছার বলেন, সরাসরি গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচনের প্রস্তাব দেয়া হলে জেলা সভাপতি তা উপেক্ষা করে প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে পকেট কমিটি ঘোষণার চেষ্টা চালালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে কাউন্সিল স্থলে চেয়ার টেবিল ভাঙচুর, হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় ২০ জন নেতাকর্মী আহত হন।
এ সময় ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের একাংশ কক্সবাজার জেলা যুবলীগের সভাপতি খোরশেদ আলমের ব্যবহূত মাইক্রো বাসটি ভাঙচুর করে এবং কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের কোটবাজার এলাকায় ব্যারিকেড সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় প্রায় আধা ঘন্টা এ সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়লে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় উখিয়া যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আবছারসহ কয়েকজনকে উখিয়া ও কক্সবাজার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে উখিয়া যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রাজিব দাশ জানান। উখিয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। কক্সবাজার জেলা যুবলীগের সভাপতি খোরশেদ আলম উখিয়ায় যুবলীগের কাউন্সিলে হামলা ও ভাঙচুরের কথা স্বীকার করে বলেন, উচ্ছৃঙ্খল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
