শিক্ষকের উচিত শিক্ষার্থীদের প্রতি বন্ধুসুলভ আচরণ করে তাদের পাঠদান করা। শিক্ষার্থী যেন বুঝতে পারে তার শিক্ষক তাকে অভিভাবকের মতো আদর, স্নেহ, ভালবাসা দিচ্ছে এবং জ্ঞান আহরণে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। শিক্ষকের উচিত শিক্ষার্থী যে বিষয়গুলোতে দুর্বল সে বিষয়ে যত্নসহকারে ধৈর্যধারণ করে তাকে মূল বিষয় বুঝিয়ে দেয়া।
কোনভাবেই তারা ভয় পাবে এমন আচরণ থেকে বিরত থাকা। শিক্ষক বাবা-মা’র চেয়ে কোন অংশে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। দিনের বেশির ভাগ সময় শিক্ষকের সাথে থাকতে হচ্ছে। কাজেই শিক্ষকের সততা, নিষ্ঠা এবং বন্ধুসুলভ আচরণ ছাত্র-ছাত্রী অনুসরণ করবে। অপর দিকে অভিভাবকদের ও যথেষ্ট-ভূমিকা রয়েছে। বাবা-মার দেখা উচিত লেখাপড়া ঠিক মতো করছে কি-না। কিংবা স্কুলের দেয়া পড়া শেষ করছে কি-না। বর্তমানে ইন্টারনেটের যুগে শিক্ষার্থীরা আরও আধুনিক হয়ে আছে। তারা যাতে আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ভালো দিকগুলো আয়ত্ত করে সেদিকে অভিভাবকের নজর রাখা উচিত।
বর্তমানে মাদকের ছোবল তীব্র আকার ধারণ করেছে। এ ব্যাপারে অভিভাবকদের উচিত তাদের সন্তান কোথায় আড্ডা দিচ্ছে কাদের সাথে আড্ডা দিচ্ছে সেদিকে নজর রাখা। সত্ সঙ্গে স্বর্গবাস অসত্ সঙ্গে সর্বনাশ। এ দিকটায় অভিভাবকদের কড়াকড়ি থাকতে হবে। স্কুল থেকে আসার পর দৈনিক ৩/৪ ঘণ্টা পড়লে তারা খারাপ ছেলে-মেয়েদের সাথে আড্ডা দেয়ার সুযোগ পাবে না বলে আমি মনে করি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ক্লাসের শিক্ষক এবং অভিভাবকের উপদেশ আদেশ সব সময় মান্য করে চলা উচিত।
