ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়নে এডুম্যান সফটওয়্যারের নতুন সংস্করণ

আপডেট : ০৩ মে ২০১৯, ২০:৩৪

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা এবং ডিজিটাল কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করছে নেটিজেন আইটি লিমিটেড। সম্প্রতি বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠানটির স্কুল ও কলেজ ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার এডুম্যানের নতুন সংস্করণ ‘এডুম্যান ৫.১’ উদ্বোধন করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে এডুম্যান সফটওয়্যারের মাধ্যমে দেশের ৭০০ জন স্থানীয় উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এছাড়াও তিন হাজারের বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ক্যাম্পাসে রূপান্তর করে গ্রাহক সন্তুষ্টি এবং গ্রাহক সংখ্যার দিক থেকে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ডাটাবেজ, ই-হাজিরা, অনলাইন রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট, অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে ক্যাশবিহীন ফি পরিশোধের ব্যবস্থা, এসএমএস প্রদান, আন্তর্জাতিক মানসমৃদ্ধ সফটওয়্যার দ্বারা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাব পরিচালনাসহ আরো নানান সুবিধা নিয়ে কাজ করে চলছে নেটিজেন আইটি লিমিটেড। এসব সুবিধাকে আরো ইউজার ফ্রেন্ডলি করার জন্য নতুন সুবিধাসহ এডুম্যান ৫.১-এর উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসিস সভাপতি  সৈয়দ আলমাস কবির  এবং বিজয় ডিজিটালের প্রধান নির্বাহী জেসমিন জুঁই।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মো. ফসিউল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার শিক্ষা খাতের ডিজিটালাইজেশন নিয়ে কাজ করে চলেছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে ৩৬ হাজার প্রাইমারি স্কুলকে জাতীয়করণ করেন, তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো ২৬ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করেন।’  এসডিজি-৪ কোয়ালিটি এডুকেশনে অবদান রাখার জন্য তিনি নেটিজেন আইটি লিমিটেডকে সাধুবাদ জানান এবং উত্সাহ প্রদান করেন। পাশাপাশি এসডিজি ১৭- পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের লক্ষ্যে সরকারের সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে উত্সাহ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে নেটিজেন আইটির প্রধান নির্বাহী রায়হান নোবেল জানান, শিক্ষা খাতের ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে তার প্রতিষ্ঠান। এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে বেসিস সভাপতি আলমাস কবীর এডুম্যান সফটওয়্যারের প্রশংসা করে বলেন, ‘দেশের ডিজিটাল  শিক্ষা খাতে দারুণ অবদান রাখছে নেটিজেন।’