তারুণ্যের আন্দোলনে একাত্ম হলেন ক্রিকেটাররা

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:৪২
শাহবাগে প্রথম যেদিন আন্দোলন শুরু হয়, সেদিনই এখানে আশার জন্য উদগ্রীব হয়ে পড়েছিলেন ক্রিকেটাররা। বিপিএলের খেলা চলছিল বলে আসতে পারছিলেন না তারা। তবে বারবার বোর্ড কর্মকর্তাদের বলছিলেন, তাদের যাওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। মোহাম্মদ আশরাফুল সেই প্রথম দিনই বলেছেন, এই আন্দোলনে আমাদের উপস্থিত থাকতেই হবে। অবশেষে গতকাল দুপুরে শাহবাগে চলমান আন্দোলনে এসে একাত্মতা প্রকাশ করলেন জাতীয় দলের বর্তমান, সাবেক ক্রিকেটার এবং কর্মকর্তারা। মোহাম্মদ আশরাফুল, মাশরাফি বিন মুর্তজা, আব্দুর রাজ্জাক, মুশফিকুর রহিম, নাসির হোসেন, ইলিয়াস সানিদের মতো জাতীয় দলের বর্তমান ক্রিকেটাররা কাল দুপুরের রোদ অগ্রাহ্য করে হাজির হলেন শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ব্যানারে সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন নিয়ে এলেন এই ক্রিকেটারদের। প্রজন্মের এই দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতে এলেন বর্তমান ক্রিকেটাররা। এলেন সাবেক দুই অধিনায়ক ও বর্তমান নির্বাচক আকরাম খান এবং হাবিবুল বাশার। সাবেক ক্রিকেটার ও বর্তমান কর্মকর্তা মাহবুব আনাম, জালাল ইউনুস, ইসমাইল হায়দার মল্লিকরাও এলেন শাহবাগের ঐতিহাসিক এই তারুণ্য সমাবেশে একাত্মতা প্রকাশ করতে। দুপুর বেলা ভিড় ঠেলে মঞ্চে হাজির হওয়া ক্রিকেটাররা বা সংগঠকরা কেউই সেখানে বক্তৃতা করেননি। শুধু জমায়েতের অভিবাদনের জবাবে হাত নেড়ে আবার চলে এসেছেন। কিন্তু এই সামান্য যাওয়া-আসাই তাদের একাকার করে ফেলেছে আন্দোলনের সঙ্গে। সবার হয়ে যেন কথাগুলো বলছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। ফোনে বলছিলেন, ‘আমরা ক্রিকেটার; কিন্তু তার আগে আমাদের পরিচয়- আমরা বাংলাদেশের তরুণ। এই যে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবি তরুণ প্রজন্মের কণ্ঠ থেকে উঠেছে, সেটা আমাদেরও দাবি। ব্যক্তিগতভাবে প্রথম দিন থেকে সার্বক্ষণিক এখানে থাকতে পারলে আমার ভালো লাগতো। সত্যি কথা বলি, এ ক দিন যাইনি বলে নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছিল। অবশেষে আজ নিজেদের প্রজন্মের সঙ্গে একাত্ম হতে পারলাম। আমরা সবসময় এখানে থাকতে না পারলেও আমরা শাহবাগে এই আন্দোলনের অংশীদার।’