নীতিমালা ভঙ্গ করলে বরাদ্দ স্টল বাতিল করা হবে

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:৫৭
অন্বেষা প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী মো. শাহাদাত হোসেন বললেন, প্রকাশকদের মেলার আয়োজন দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার বাস্তবায়ন। এবারের বইমেলাকে আমি দেখছি একটু ভিন্ন আঙ্গিকে। প্রকাশকদের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়েছে এবারের মেলায়। অর্থাত্ আমরা চেয়েছিলাম বইমেলা হোক প্রকাশকদের নিয়ে। গত বইমেলায় বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক এ ঘোষণা দিয়েছিলেন। যদিও আমি মনে করেছিলাম এটা বাস্তবায়ন হয়তো সম্ভব হবে না। এ একটি মাত্র ঘোষণা প্রকাশনা জগতে নতুন পরিবর্তন আনবে। ভালো বই প্রকাশে প্রকাশকদের মাঝে উত্সাহ যোগাবে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে আমরা বেশ কয়েকজন প্রকাশককে নোটিস দিয়েছি নীতিমালা ভঙ্গের দায়ে। বেশ কয়েকটি প্রকাশক নেট বই, পাইরেটেড বই ও বিদেশি লেখকদের অনুমোদন না নিয়েই তার বই প্রকাশ করে বিক্রি করছেন। মেলায় এসব বই বিক্রি করা যাবে না। তারা যদি নীতিমালা মেনে না চলেন তবে তাদের স্টল বরাদ্দ বাতিল করা হবে। যে কোন উপায়ে মেলার শৃংখলা বজায় রাখা হবে। নতুন অর্থাত্ তরুণ লেখকগণ বইমেলাকে ঘিরে নতুন বই প্রকাশ করে থাকেন। নতুনদের মাঝে অনেক ভালো লেখাও প্রকাশ পেয়ে থাকে। কিন্তু পাইরেটেড বইয়ের ভিড়ে তাদের লেখা বইগুলো পাঠকপ্রিয়তা পেতো না। এবার সেই সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। মেলার পরিসর বৃদ্ধির বিকল্প নেই। দিন দিন প্রকাশনা সংস্থা বাড়ছে, আগামীতে হয়তো এ স্বল্প পরিসরে বইমেলা করা কষ্টকর হবে। এ কারণেই বইমেলা বাংলা একাডেমী সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বৃহত্তর পরিসরে স্থানান্তর করা যায় কিনা এখনই ভেবে দেখা উচিত বলে আমি মনে করি। এ বছর অন্বেষা থেকে প্রায় ৪০টি নতুন বই আসছে। এর মধ্যে রয়েছে- সরদার ফজলুল করিমের আত্মজীবনী ‘আমি সরদার বলছি’, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর ‘রাষ্ট্রতন্ত্রে সমাজদ্রোহিতা’, হুমায়ূন আহমেদের ‘কিশোর উপন্যাস সমগ্র’ ও ‘কিশোর গল্পসমগ্র’, সালেহ চৌধুরীর ‘হুমায়ূন এবং আমি’, ‘বারাক ওবামার আত্মজীবনী’ (অনুবাদ: অঞ্জলি সরকার) ‘জীবনের গল্প’ উল্লেখযোগ্য।