শাহবাগ আন্দোলন শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক চর্চার বহিঃপ্রকাশ

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:৩৯
ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা শাহবাগ আন্দোলনকে দেখছেন শান্তিপূর্ণভাবে বাংলাদেশিদের গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, যারা যুদ্ধাপরাধ করেছে তাদের বিচারের আওতায় আনা উচিত। স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্যভাবে তা হতে হবে আন্তর্জাতিক চুক্তির সাথে সঙ্গতি রেখেই। যশোর ও সাতক্ষীরায় দুইদিনের সফর শেষে গতকাল মঙ্গলবার সকালে মজীনা যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরিতে স্থাপিত আমেরিকান কর্নারে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বার্থে আমি সংলাপে বিশ্বাসী। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য বৃহত্ দলগুলো সামনে এগিয়ে যাবার পথ পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ আমেরিকার সহায়তায় প্রশিক্ষণ পাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, একজন মিসেস মালিক গুটি ইউরিয়ার ব্যবসা শুরু করেছিলেন। এখন হাজার হাজার মিসেস মালিক তা তৈরি করছেন। তারা মাছ, চিংড়ি ও সরিষার উত্পাদন করছেন। দেশের প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোল বন্দরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মজীনা বলেন, বেনাপোল চমত্কার জায়গা। এটাকে আমরা বলি সিল্ক রোড। এই রোড বাংলাদেশকে এশিয়ার দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলের সংযোগ ঘটাতে পারে। বন্দরের উন্নয়নের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা চলছে জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, এখানকার কাস্টমস হাউসের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। বন্দরের উন্নয়নের জন্য আমেরিকা সরকার চেষ্টা করছে এ বছরই অর্থ বরাদ্দের। দুইদিনের সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে গিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, যশোর আর সাতক্ষীরার যেখানেই গিয়েছি সেখানেই দেখেছি মানুষের জাদু। এখানকার মানুষ খুবই শক্তিশালী, গতিশীল ও সৃজনশীল। ইউএসএআইডি মিশন প্রধান রিচার্ড গ্রিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ওবামা সরকারের ফিড দ্য ফিউচার সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ২০১২ সালে বাংলাদেশের জন্য ৫০ মিলিয়ন অর্থ সহায়তা দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য উত্পাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষিতে বৈচিত্র্য আনা।