মেহেরপুরে যুবলীগ নেতা হত্যার বিচার দাবি

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:১১
মেহেরপুরে বিপুল হত্যার বিচার দাবিতে তার পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মেহেরপুর বিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে নিহত বিপুলের মা শাহিদা বেগম পান্না সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বিপুল হত্যার পরিকল্পনাকারী ও খুনি কে তা বিপুল আর আটক পেরেশানের মোবাইল কললিস্ট বের করলে পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, ২৮ জানুয়ারি রাত পৌনে ৯টায় মেহেরপুর জেলা যুবলীগের সহ-প্রচার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম পেরেশান তার ছেলে মেহেরপুর জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল্লাহ আল মামুন বিপুলকে ডাকে। ওই সময় বিপুলের স্ত্রী বিলকিস আক্তার বেলি ও একমাত্র শিশু সন্তান খন্দকার হাসান আল বান্না ছিলো। ওই সময় বেলি আসামিদের সেখানে উপস্থিত দেখেছেন। বেলি শহরের বাসস্ট্যান্ড মল্লিকপাড়ার বাসায় ফেরার ২-৩ মিনিটের মাথায় বিপুল খুন হন। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, বিপুল খুনের ঘটনায় পেরেশান, সাজ্জাদুল আনাম ও রিটন নির্দোষ। তাহলে বিপুলের খুনী কে? তিনি হত্যাকারীদের আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ করে। তিনি বলেন, আমার সন্তান বিপুল ১৯৯০ সাল থেকে ছাত্রলীগ করে। পরে কাউন্সিলের মাধ্যমে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়। পরে তাকে ষড়যন্ত্র করে পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এক শ্রেণির স্বার্থন্বেষী ব্যক্তি জনগণের সামনে বিপুলকে সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করার চেষ্টা করে। এর পরও বিপুলের জনপ্রিয়তায় সে মেহেরপুর পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিল নির্বাচিত হয়। মেহেরপুরের জনগণ আজ তার জন্য কাঁদছে। কে বা কারা বিপুল হত্যা মামলা ধামা চাপা দিতে উঠে পড়ে লেগে গেছে। আমরা বিপুল হত্যার বিচার চাই। তাই সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করি। সম্মেলনে নিহত বিপুলের স্ত্রী বিলকিস আক্তার বেলি, শিশু পুত্র খন্দকার হাসান আল বান্না, শ্বশুর আব্দুর রাজ্জাকসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।