যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগে নবজাগরণ মঞ্চে তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে বুধবার জার্মানির বার্লিনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বার্লিনে বসবাসরত কয়েকশ’ বাংলাদেশি যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানান সমাবেশে। পরে বাংলাদেশ দূতাবাসে তারা স্মারকলিপি পেশ করেন। সমাবেশ ও মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন বার্লিন আওয়ামী লীগে সভাপতি মাসুদুর রহমান মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক রতন সিকদার, আউয়াল খান, কাজী আকরাম, মিজানুর হক খান, মাহফুজ আলী বাদল, সাইফুল ইসলাম, নূরজাহান খান নুরী প্রমুখ। দূতাবাসের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত নজরুল ইসলাম।
কলকাতা প্রতিনিধি জানান, পশ্চিমবঙ্গে পাঠরত বাংলাদেশিরা শাহবাগের আন্দোলনের সমর্থনে, রাজাকারদের ফাঁসির দাবিতে বুধবার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে জমায়েত হন। এদিন বিকাল ৩টায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় শতাধিক ছাত্ররা জমায়েত হয়ে অবস্থান শুরু করেন। তাদের গান, শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সরণী। রাজাকারদের ব্যাঙ্গাত্মক পোস্টার আর ফাঁসির দাবি সম্বলিত পোস্টার উপস্থিত পথচারীদের দৃষ্টি আর্কষণ করে। এদিন প্রায় আড়াই ঘন্টা অবস্থানের পর ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষ থেকে মনিরা ইসলামের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল উপ-হাইকমিশনে গিয়ে বাংলাদেশ সরকারে উদ্দেশে স্মারকলিপি প্রদান করেন। পরে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে অর্ণব বলেন, আমরা শাহবাগের সমর্থনে আজ এখানে অবস্থান করলাম। সরকারকে স্মারকলিপি দিয়ে জানালাম আমরা দেশের বাইরে থেকেও রাজাকারদের ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি। এর মধ্যদিয়ে আমরা দেশের মানুষের এই আন্দোলেনর প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করছি। এরপর ছাত্ররা মিছিল করে কলকাতার এজেসি রোড ধরে মিন্টু পার্ক হয়ে রবীন্দ্রসদনে যান। সেখানে তারা মোমবাতি জ্বালিয়ে অবস্থান করেন। এদিনে কর্মসূচিতে রবীন্দ্রভারতী, এনআইটি দুর্গাপুর, বিশ্বভারতী, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়, আই ই এম সল্টলেক ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশের পাঠরত ছাত্র-ছাত্রীরা অংশ নেন।
