সারাদেশে প্রতিবাদ বিক্ষোভ

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:২৩
কাদের মোল্লাসহ সকল যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দাবিতে আন্দোলন-প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। গতকাল শুক্রবারও এ দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মিছিল, সমাবেশ, মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন পেশাজীবী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। খবর আমাদের স্টাফ রিপোর্টার, অফিস, প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের। চট্টগ্রাম :চট্টগ্রামে নতুন প্রজন্মের হাজারো কণ্ঠ গতকাল শুক্রবার শ্লোগান তুলে- জামায়াত-শিবির যেখানে লড়াই চলবে সেখানে, একাত্তরে ছিলাম না, এবার তোদের ছাড়বো না, মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়, রাজাকারের ঠাঁই নাই। নতুন প্রজন্মের রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির শ্লোগানে গতকালও প্রকম্পিত হয়ে উঠে চট্টগ্রামের সেন্ট মেরিস থেকে চেরাগী পাহাড় মোমিন রোড পর্যন্ত চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও গণজাগরণ চত্বর। গতকাল দশম দিনে মিছিল, তারুণ্যের সমাবেশ ও সববয়েসী মানুষের সমাগম ছিলো অন্যান্য দিনের চেয়ে বেশি। শ্লোগানে শ্লোগানে মুখর ছিলো জামালখান। সামপ্রদায়িকতা বিরোধী তরুণ উদ্যোগ ও চট্টগ্রামে গণজাগরণ মঞ্চের উদ্যোক্তা সাংবাদিক হাসান ফেরদৌস জানান, গতকাল বিকালে চট্টগ্রাম গণজাগরণ মঞ্চে এসে সংহতি প্রকাশ করেছেন রাকসু’র সাবেক ভিপি ও ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা ফজলে হোসেন বাদশা এমপি। এছাড়াও গতকাল গণজাগরণ মঞ্চ এলাকায় মিছিল নিয়ে আসে চট্টগ্রামের প্রতিবন্ধীরা। গণজাগরণ কর্মসূচির সমন্বয়কারী শরিফ চৌহান জানান, ঢাকার শাহবাগে ঘোষিত কর্মসূচি অনুসারে চট্টগ্রামেও আগামীকাল রবিবার সকালে সর্বত্র জাতীয় সঙ্গীতের সাথে উত্তোলন করা হবে জাতীয় পতাকা। তারা জানান, চট্টগ্রামেও ঘোষণা করা হয়েছে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি এবং জামায়াত-শিবিরের সামপ্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত তরুণ প্রজন্মের এই আন্দোলন চলবে। বিজয় না হওয়া পর্যন্ত কেউ ঘরে ফিরবে না। রাজশাহী:রাজশাহীর আলুপট্টির ‘একাত্তর মঞ্চ’ গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনেও প্রতিবাদ, বিক্ষোভ ও শ্লোগানে উত্তাল ছিল। দুপুর গড়িয়ে বিকাল হতে না হতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ছাত্র-শিক্ষক, সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন পেশাজীবী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শ্রমিক, দিনমজুরসহ সর্বস্তরের নারী-পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধ একাত্তর মঞ্চে এসে সমবেত হতে শুরু করে। তাদের শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে আলুপট্টির চত্বর। মাঝে মাঝে চলছিল গণসঙ্গীত ও মুক্তিযুদ্ধের গান। সন্ধ্যা গড়িয়ে যতই রাত নামছিল একাত্তর মঞ্চে মানুষের উপস্থিতি যেন ততই বাড়ছিল। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরের আহ্বানে সাড়া দিয়ে জ্বালানো হাজার হাজার মোমবাতি অন্ধকার ভেদ করে ছড়ায় আলো। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায়ও মোমবাতি ও জাতীয় পতাকা হাতে অসংখ্য আলোর মিছিল আলুপট্টিতে এসে মিলিত হয়। এক পর্যায়ে মোমবাতির আলোয় বাংলাদেশের মানচিত্রের রূপ দিয়ে চারিদিকে অবস্থান নেয় প্রতিবাদী মানুষ। সিলেট:গতকালও প্রতিদিনের মত বিকাল থেকে সিলেট শহীদ মিনারের প্রজন্ম চত্বরে ভিড় জমে উঠে। সকলের মুখে ছিল যুুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবি। গানে আর শ্লোগানে এলাকা ছিল মুখরিত। এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যায় সিলেটের প্রজন্ম চত্বরে এসে গণজাগরণ মঞ্চে মাইক হাতে নিয়ে সংহতি প্রকাশ করেছেন অভিনেতা হাসান মাসুদ। এ সময় তিনি বলেন, এই বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এসে জড়ো হন প্রজন্ম চত্বরে। সকল যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দাবিতে শ্লোগানমুখর ছিল সিলেটের প্রজন্ম চত্বর। প্রতিদিনের মতো সিলেট শহীদ মিনারে ভিড় জমিয়েছে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল সংগঠনগুলো। এদিকে বিকালে শহীদ মিনারে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন মুক্তিযোদ্ধা জেলা ইউনিট কার্যকরী কমিটির সদস্য সদর উদ্দিন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট রফিকুল হক, মুক্তিযোদ্ধা ননী গোপাল সিংহ, মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালা, মুক্তিযোদ্ধা রানা বাবু, মুক্তিযোদ্ধা আপ্তাব আলী প্রমুখ। দিনাজপুর:গতকাল শুক্রবার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ দিনাজপুর। সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সামনে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচি চলাকালে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির পাশাপাশি জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি বন্ধের দাবি জানানো হয়। কর্মসূচিতে বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। নরসিংদী:গতকাল শুক্রবার জেলার বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। এছাড়া জেলায় একাদশ দিনের মত গণঅবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত ছিল। গতকাল নরসিংদী জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম ও জাগ্রত নরসিংদীবাসীর পক্ষ থেকে এ উপলক্ষে পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষে জেলা প্রশাসক কার্যালয় সংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ চত্বরে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল মোতালিব পাঠানের নেতৃত্বে জেলার সকল মুক্তিযোদ্ধা ও স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীসহ বিভিন্ন স্তরের লোকজন অংশগ্রহণ করে। অপরদিকে নরসিংদী পৌরসভার সামনে ‘জাগ্রত নরসিংদীবাসী’ আয়োজিত অবস্থান ধর্মঘটও অব্যাহত রয়েছে। মুন্সীগঞ্জ:শুক্রবার সকালে মুন্সীগঞ্জ পুরাতন কাচারি চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে সর্বস্তরের মানুষ। মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ নানা পেশার মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট অজয় চক্রবর্তী, মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জল, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি শাহিন মো. আমানুল্লাহ, নাট্যকার জাহাঙ্গীর হোসেন ঢালী প্রমুখ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমী চত্বরে শতশত লোক মোমবাতি প্রজ্বলন করেন। পরে তারা মোমবাতি জ্বালিয়ে মৌন মিছিল নিয়ে শহীদ মিনারে মোমবাতি রেখে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবি করেন। সরকারি হরগঙ্গা কলেজেও মোমবাতি প্রজ্বলন করে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মোমবাতি প্রজ্বলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মোমবাতি প্রজ্বলন শেষে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, শিক্ষক-ছাত্রসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের লোকজন অংশ নেন। নেত্রকোনা:‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমান্ড নেত্রকোনা জেলা শাখার উদ্যোগে গত বৃহস্পতিবার বিকালে জেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি পুরাতন কালেক্টরেট ভবন প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারে এসে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমিটির সভাপতি অধ্যাপক গোলাম রসুল তালুকদার, সম্পাদক খায়রুল ইসলাম বাবুল, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নূরুল আমিন প্রমুখ। পরে কাদের মোল্লার কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। রংপুর:রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠের সামনে নতুন প্রজন্মের গণজাগরণ মঞ্চ এখন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী সংগঠন, সাংবাদিক সমাজ, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের ঠিকানায় পরিণত হয়েছে। তরুণ প্রজন্মকে এখন দেখা যায় না নগরীর মোড়ে মোড়ে এবং চায়ের দোকানে আড্ডা মারতে। নেই বয়োজ্যেষ্ঠদের গল্পের আসর। সবার ঠিকানা গণজাগরণ মঞ্চ। গতকাল শুক্রবার গণজাগরণ মঞ্চস্থলে গিয়ে দেখা যায়, আবাল-বৃদ্ধবনিতাসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষের উপচেপড়া ভিড়। তাদের সবার মুখে একই কথা, ‘ফাঁসি-ফাঁসি-ফাঁসি চাই রাজাকারদের ফাঁসি চাই, জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাই’। গান। নতুন প্রজন্মের তৈরি করা ফাঁসির মঞ্চে রাজাকারদের দেয়া হয়েছে প্রতীকী ফাঁসি। সড়কের মাঝে রাজাকারদের ব্যঙ্গচিত্র ও আলপনা করা হয়েছে। পবিপ্রবি:পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্মকর্তা-কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় জয় বাংলার পাদদেশে মানববন্ধন পূর্ব সমাবেশে বক্তৃতা করেন মো. লুত্ফর রহমান, আরিফ আহমেদ জুয়েল, সাইদুর রহমান জুয়েল প্রমুখ। বরগুনা (দক্ষিণ):শহরের প্রতিটি সড়ক থেকে শুরু করে অলি-গলি, বসত বাড়ি, ব্যবসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ প্রতিটি স্থানে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একযোগে জ্বলে ওঠে হাজারো মোমবাতি। বন্দর ক্লাব গণজাগরণ মঞ্চে গত নয়দিন ধরে চলছে গণআন্দোলন। মেহেরপুর:গতকাল শুক্রবার মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সামনে মুজিবনগর প্রজন্মের উদ্যোগে মানববন্ধন পালন করা হয়। মেহেরপুর শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম, ভাষা সৈনিক ইসমাইল হোসেন, যুবলীগের সম্পাদক সাজ্জাদুল আলম সাজ্জাদ, যুগ্ম সম্পাদক নিশান সাবের, সুজনের সম্পাদক শামীম জাহাঙ্গীর সেন্টু, মাহাবুবুল হক মন্টু, যুবলীগ নেতা সুমনসহ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি সাম্প্রদায়িক জঙ্গীবাদ বিরোধী মঞ্চের ব্যানারে কয়েকশ’ মানুষ দাঁড়িয়ে থাকেন। বাগেরহাট:বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা বাজার সাথে সাথে বাগেরহাটের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শত শত নারী পুরুষ ও শিশু একটি করে মোমবাতি প্রজ্বলন করে। একই সময়ে শহরে মশাল মিছিল বের করা হয়। এদিকে প্রতিদিনের মত বাগেরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রতিরোধ মঞ্চে সঙ্গীতানুষ্ঠান ও বক্তৃতা চলছে। সাতক্ষীরা: গতকাল শুক্রবার বিকালে সাতক্ষীরা নিউমার্কেট চত্বরে ১০ম দিনের মত জনতার মঞ্চে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল মিছিল, সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিক্ষুব্ধ সাতক্ষীরা বাসীর ব্যানারে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এ প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দেন। চুয়াডাঙ্গা: গতকাল চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের ব্যস্ততম শহীদ হাসান চত্বরে ৮ম দিনের মত চলে নতুন প্রজন্মের কর্মসূচি। যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকারদের ফাঁসির দাবিতে প্রায় সকল মানুষ এখন এক কাতারে এক মঞ্চে এসে একত্রিত হয়েছে। ‘জেগে আছে চুয়াডাঙ্গা’ মঞ্চে গতকাল উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ ছিল ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে রাখা যুদ্ধাপরাধী আব্দুল কাদের মোল্লার কুশপুত্তলিকা। নোয়াখালী: গত ১০ দিন ধরে জেলা শহরের শহীদ মিনার চত্বরে বিজয় মঞ্চে জেলা নাগরিক কমিটি ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের বিক্ষোভ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অব্যাহত রয়েছে। এর আগের দিন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমাণ্ড জেলা শহর মাইজদীর প্রধান সড়ক টাউন হল চত্বরে মানববন্ধন করে। গতকাল শুক্রবার বিকালে শহীদ মিনার চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশে স্থানীয় এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী জামায়াত-শিবিরের সকল কর্মসূচি প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন। গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) : ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বিজয়’৭১ মঞ্চে সন্ধ্যা ৭টায় মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ও যুগান্তর স্বজন সমাবেশ মোমবাতি প্রজ্বলন অনুষ্ঠানে একাত্ম ঘোষণা করে অংশ নেয়। এরপরই সালাম পারভেজ রচিত ৭১’র মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি তুলে ধরে লেখা ‘দালাল’ নাটিকাটি আবুল ফজল মোহাম্মদ হিরার পরিচালনায় মঞ্চস্থ হয়। নাটিকার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন মাজহারুল ইসলাম পলাশ , আব্দুল্লাহ আল মামুন, হারুন অর রশিদ, রানা, ইমন সরকার রূপম, নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ, আলী আশরাফ আবির প্রমুখ।