মহানগরীর তালাইমারী শহীদ মিনার থেকে পঞ্চবটি পর্যন্ত দুই কিলোমিটার জুড়ে গত শুক্রবার রাতে পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় ১৮৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মতিহার থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মমিন সরকার বাদী হয়ে ৩৫ জামায়াত-শিবির নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে পুলিশের কাজে বাধাদানের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন। সংঘর্ষের সময় আটক ১০ জনকে বোয়ালিয়া থানা হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
শুক্রবার রাতে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ সাতজনকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারা হলেন- খরবনার জালাল উদ্দিন (২৭), সাদ্দাম হোসেন (২৬), মামুনুর রশীদ (৪৮), জীবন শেখ (২৮), নওদাপাড়ার আব্দুস সালাম রবিন (২৫), শামীম (২৬) ও নাজমুল (২৭)। এদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ জালাল ও মামুনুর রশিদ চিকিত্সা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। তারা উভয়ে জামায়াত-শিবিরের নেতা এবং অন্যেরা সাধারণ পথচারি বলে জানা গেছে। তবে জামায়াত-শিবিরের পক্ষ থেকে গুলিবিদ্ধ সকলকে তাদের দলীয় কর্মী বলে দাবি করা হয়েছে।
সংঘর্ষের পর রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার এসএম মনির-উজ-জামান সাংবাদিকদের বলেন, জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা পুলিশের উপর বৃষ্টির মতো ইটপাটকেল ও হাতবোমা (ককটেল) নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশের আট সদস্য আহত হন। তাদের পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
