১৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জয়েন্ট ইসলামী ফাইন্যান্স

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:৩৮
প্রতি লাখে মাসে আড়াই হাজার টাকা মুনাফা দেয়ার শর্তে সাতক্ষীরার গ্রাহকদের কাছ থেকে সাড়ে ১৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি কোম্পানি। জয়েন্ট ইসলামী ফাইন্যান্স এন্ড কমার্স নামের ওই মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানির বিরুদ্ধ এই অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাতক্ষীরা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা মামলায় কোম্পানির চেয়ারম্যান মো. ইউসুফ খান, এমডি শরিফুল ইসলামসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার শহরের নিউমার্কেট চত্বরে টাকা ফেরত পেতে বিক্ষোভ করেছেন ভুক্তভোগীরা। কোম্পানির গ্রাহকরা জানান, দেশের ১৯টি জেলায় জয়েন্ট ইসলামী ফাইন্যান্সের অফিস রয়েছে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা, দেবহাটা, কালীগঞ্জ, আশাশুনি ও বুধহাটা অফিসের মাধ্যমে কোম্পানিটি তাদের কাছ থেকে প্রায় ১৪ কোটি টাকা নিয়ে আত্মসাত্ করেছে। গত আট মাস যাবত্ মুনাফা এবং বিনিয়োগকৃত টাকার ব্যাপারে বারবার তাগিদ দিলেও ফেরত দেয়ার ওয়াদা করেও তা রক্ষা করছে না তারা। বাধ্য হয়ে তারা মামলা করেছেন। কবে নাগাদ এই টাকা ফেরত পাওয়া যাবে তা নিয়ে সংশয়ের মধ্যে রয়েছেন জেলার সাড়ে পাঁচ হাজার গ্রাহক। এদিকে কোম্পানির আটক কর্মকর্তারা জেলার কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার সহায়তায় আদালত থেকে জামিন নেয়ার পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেইটের কাছে পুরানা পল্টনের শখ সেন্টারে কোম্পানিটির প্রধান কার্যালয়। বর্তমানে সেখানে তালা ঝুলছে। কোম্পানির চেয়ারম্যান ইউসুফ খান এর বাবার নাম আব্দুস সাত্তার খান। ঠিকানা: ছায়ানীড়, ৪৯/৩১০ বাগিচাগাঁও, থানা ও জেলা কুমিল্লা। তবে এই ঠিকানাটি ভুয়া বলে দাবি করেছেন সাতক্ষীরার এক আইনজীবী । তিনি কুমিল্লা থানার ওসির বরাত দিয়ে বলেছেন, ওই নামে কোন ব্যক্তি কখনও সেখানে বসবাস করেন নি। ইউসুফ খানও আদালতে এ প্রশ্নের সঠিক কোন জবাব দিতে পারেননি।