প্রিয় শিক্ষার্থীরা আজ বাংলাদেশ বিশ্বপরিচয় বিষয়ের দ্বিতীয় অধ্যায় থেকে শুদ্ধ অশুদ্ধ আলোচনা করা হলো:
শুদ্ধ/অশুদ্ধ
১। বাংলায় ইংরেজরা এসেছিল বাণিজ্য করতে
= শুদ্ধ।
২। পলাশী যুদ্ধ হয় ১৮৫৭ সালে = অশুদ্ধ।
৩। পলাশী যুদ্ধ হয় ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন = শুদ্ধ।
৪। ইংরেজরা শাসন করে তিনশত বছর = অশুদ্ধ।
৫। সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন জমিদার = অশুদ্ধ।
৬। সিরাজউদ্দৌল ছিল আলিবর্দী খাঁর দৌহিত্র
= শুদ্ধ।
৭। আলিবর্দী খাঁর মৃত্যু হয় ১৭৫৬ সালে = শুদ্ধ।
৮। সিরাজউদ্দৌলা ২৪ বছর বয়সে নবাব হন
= অশুদ্ধ।
৯। ঘসেটি বেগম সিরাজউদ্দৌলার বড় খালা
= শুদ্ধ।
১০। ইংরেজদের বাণিজ্য সংস্থার নাম বেঙ্গল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি = অশুদ্ধ।
১২। পলাশী নামক স্থানে পলাশী যুদ্ধ হয় = শুদ্ধ।
১৩। পলাশী যুদ্ধে মীর জাফর বিশ্বাসঘাতকতা করেনি = অশুদ্ধ।
১৪। মীর কাশিম ছিল স্বাধীনচেতা লোক = শুদ্ধ।
১৫। মীর কাশিমের সাথে ইংরেজদের তিনবার যুদ্ধ হয় = অশুদ্ধ।
১৬। ১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধ হয় = শুদ্ধ।
১৭। ইংরেজ শাসকের প্রথম শাসনকর্তার নাম লর্ড ক্লাইভ = শুদ্ধ।
১৮। সিপাহি বিদ্রোহ হয় ১৭৫৭ সালে = অশুদ্ধ।
১৯। ভারত ও পাকিস্তান বিভক্ত হয় ১৮৪৭ সালে
= অশুদ্ধ।
২০। ইংরেস শাসনের অন্যতম নীতি হচ্ছে ভাগ কর ও শাসন কর = শুদ্ধ।
২১। ইংরেজ শাসনের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে শোষণ ও নিজেদের লাভ = শুদ্ধ।
২২। বাংলার মানুষ ইংরেজদের আমলে ধনী ছিল = অশুদ্ধ।
২৩। ইংরেজি শিক্ষার প্রচলন ঘটে নবাবি আমলে = অশুদ্ধ।
২৪। উনিশ শতকে বাংলায় নবজাগরণ ঘটে = শুদ্ধ।
২৫। বাঁশের কেল্লা তৈরি করেন তিতুমীর = শুদ্ধ।
২৬। বাগেরহাটে জন্মগ্রহণ করেন তিতুমীর = অশুদ্ধ।
২৭। তিতুমীরের গ্রামের নাম নারকেলবাড়িয়া
= শুদ্ধ।
২৮। তিতুমীর যুদ্ধরত অবস্থায় মরা যান = শুদ্ধ।
২৯। সিপাহি বিদ্রোহের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতবর্ষকে আলাদা করা = শুদ্ধ।
৩০। তিতুমীর সিপাহি বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন
= অশুদ্ধ।
৩১। মঙ্গল পাণ্ডে সিপাহি বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন
= শুদ্ধ।
৩২। গাজীপুরে বাহাদুর শাহ পার্ক অবস্থিত
= অশুদ্ধ।
৩৩। বাহাদুর শাহ পার্কে সিপাহিদের ফাঁসি দেয়া হয় = শুদ্ধ।
৩৪। ভারতীয় কংগ্রেস ১৮৮৫ সালে গঠিত হয়
= শুদ্ধ।
৩৫। বাংলা ১৯০৬ সালে ভাগ হয় = অশুদ্ধ।
৩৬। বঙ্গভঙ্গ রদ হয় ১৯১১ সালে = শুদ্ধ।
৩৭। ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগের আত্মপ্রকাশ হয় = শুদ্ধ।
৩৮। ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রীতিলতা অভিযান করেন =শুদ্ধ।
৩৯। বেগম রোকেয়া নারী জাগরণের অগ্রদূত =শুদ্ধ।
