বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একাদশ বর্ষপূর্তি উত্সব উপলক্ষে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি শনিবার আশুলিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীর পদচারণায় মুখরিত ক্যাম্পাস সেজেছিল বর্ণিল সাজে। নবীন-প্রবীণ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মিলন মেলায় পরিণত হয় পুরো ক্যাম্পাস। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সবুর খানের সভাপতিত্বে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম লুত্ফর রহমান এবং প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলাম।
প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান বলেন, আমি ছাত্রদের মাঝে ভবিষ্যত্ দেখতে পাই। এই প্রজন্মের ছাত্ররা ফ্রিল্যান্সে সুনাম অর্জন করেছে। বাংলাদেশ এখন ফ্রিল্যান্সে বিশ্বে তৃতীয় দেশ হিসেবে পরিচিত। তিনি আরো বলেন, তথ্য-প্রযুক্তি হাতের নাগালে না এলে দেশের আধুনিকায়ন সম্ভব নয়। তাই তথ্য-প্রযুক্তিতে আমাদের তরুণদের দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান বলেন, শিক্ষার্থীরাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ। আমাদের স্বপ্ন এই বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশ-বিদেশের শীর্ষ মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা। শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা দেশের একমাত্র ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি। বিশ্বের অন্যতম বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ড্যাফোডিল বর্তমানে নিজের অবস্থানকে দৃঢ় করতে সক্ষম হয়েছে। দিনব্যাপী আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল বাস শোভাযাত্রা, আলোচনা অনুষ্ঠান, বিভিন্ন বিভাগের প্রদর্শনী, বৃক্ষরোপণ, বনভোজন, সেলিব্রেটি শো, খেলাধুলা, ফান ইভেন্টস, র্যাফেল ড্র প্রভৃতি। সবশেষে ‘শিরোনামহীন’ ব্যান্ড দলের লাইভ কনসার্ট সবাইকে মাতিয়ে তোলে। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি
