ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালমান খুরশিদ বলেছেন, তার সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে তার দেশের সীমান্তে কোন হতাহতের ঘটনা দেখতে চায় না। তিনি গতকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাত্কালে একথা বলেন। বৈঠকে সালমান খুরশিদ পদ্মা সেতুর জন্য ভারতের ২শ’ মিলিয়ন অনুদানের প্রথম কিস্তির ৫০ মিলিয়ন ডলারের চেক হস্তান্তর করেন।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের একথা বলেন। তিনি বলেন, সালমান খুরশিদ আঞ্চলিক যোগাযোগ, বর্ডার হাট ও ভারত থেকে বাংলাদেশের বিদ্যুত্ আমদানিসহ দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলোর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করেন। এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অধিকতর জোরদার ও সুসংহত করার লক্ষ্যে কাজ করে যেতে অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় এবং দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের মাধ্যমে এই সম্পর্ক নতুন মাত্রায় উন্নীত হয়েছে।
শেখ হাসিনা সমপ্রতি জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিশনে সমঝোতা স্মারক ও প্রটোকল স্বাক্ষরিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এসব উদ্যোগ উভয় দেশের সম্পর্ক অধিকতর সুসংহত করার সহায়ক হবে। ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের প্রতি সম্মান জানাতে বিভিন্ন কর্মসূচির কথা উল্লে¬খ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের স্বাধীনতার জন্য যারা সমর্থন দিয়েছেন তাদের অবদানের স্বীকৃতি দিতে এটিই হচ্ছে এক বিনয়ী আয়োজন। ভারতের প্রেসিডেন্টের আসন্ন সফর সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক সমপ্রসারণে প্রণব মুখার্জীকে স্বাগত জানাতে বাংলাদেশ গভীর আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এ্যাম্বাসেডর এ্যাট লার্জ এম জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব শেখ এম ওয়াহিদ উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোল্লা ওয়াহেদুজ্জামান, ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারেক এ করিম, বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
