যেটুকু পড়ি মনোযোগ দিয়েই পড়ি

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৮:০৪
তাসনিয়া হোসেন তিমু তিমু আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা থেকে এ বছর পিএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। আমি পঞ্চম শ্রেণিতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়েছি। আমার এই ফলাফলের জন্য মা-বাবা ও শিক্ষক-শিক্ষিকার অবদান সবচেয়ে বেশি। শ্রেণি শিক্ষক ক্লাসে পড়াশুনার প্রতি সব সময় নজর রাখতেন এবং ভাল ফলাফলের জন্য উত্সাহ দিতেন। ভাল ফলাফলের জন্য বিদ্যালয়ে ১ম পার্বিক, ২য় পার্বিক, বার্ষিক ও দুইটি মডেল টেস্ট ও চূড়ান্ত মডেল টেস্টের মাধ্যমে আমাদের পরীক্ষা ভীতি দূর করে আমাদেরকে সুন্দরভাবে প্রস্তুত করে তুলেছিলেন। নিয়মিত ক্লাস ও তত্ত্বাবধায়কের সার্বিক তদারকির ফলে আমাদের বিদ্যালয়ের পড়াশুনা এবং পরীক্ষার ফলাফল অনেক ভাল হয়েছে। বিদ্যালয়ের সব বিষয়ের পড়াশুনা বাসায় মা দেখতেন এবং কোথায়ও কোনো সমস্যা হলে মা বুঝিয়ে দিতেন। বাবা নিয়মিত আমাকে অঙ্ক ও বিজ্ঞান সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিতেন। আমি লেখাপড়ার ব্যাপারে মা-বাবা ও শিক্ষক-শিক্ষিকার কাছ থেকে সব সময় সাহায্য পেয়েছি। বাসায় রুটিন করে প্রতিটি বিষয় মনোযোগ সহকারে পড়াশুনা করতাম। প্রতিটি বিষয়ের মূল বইয়ের খুটিনাটি পড়তাম। নিয়মিত বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকার পড়াশোনা বিষয়ক পাতা থেকে আমার বিষয়গুলো সংগ্রহ করে পড়তাম এবং এখানে যে প্রশ্নগুলো দেওয়া হতো তা অনুশীলনও করতাম। আমি হাতের লেখা ও বানানের ব্যাপারে খুবই সচেতন ছিলাম। আমি আমার ভাল ফলাফলের জন্য খুবই আনন্দিত। স্যারদের পাঠদান মনোযোগ সহকারে রপ্ত করি। যে সমস্ত বিষয় কঠিন মনে হয় তা বার বার পড়ি এছাড়া অন্যান্য সহপাঠীদের সাথে আলাপ আলোচনা করে বিষয়টি সহজ করে নেই। আমি খুব কম পড়ি, তবে যেটুকু পড়ি মনোযোগ দিয়েই পড়ি। পড়ার জন্য আমার একটা রুটিন আছে। রুটিন অনুযায়ি সকাল , বিকাল , সন্ধ্যার কাজ গুলো করি। মা-বাবা আমাকে অনেক আদর করেন । আমি আনন্দের সঙ্গেই পড়ালেখা করি।