ডায়েট

পছন্দের খাবারকে দূরে রাখুন

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৮:১১
প্রতিদিন দুপুরে দু-একটা বিস্কুট বা চানাচুরের মতো হালকা খাবারে লাঞ্চ করে রেহনুমা। ওর ধারণা, ভাত খেলে ওজন বেড়ে মুটিয়ে যাবে। এ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে তার প্রায়ই একটু কথা কাটাকাটি হয়। কিন্তু রেহনুমা নিজেও জানে না, এসব খাবারেই বরং ওজন বাড়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। স্ন্যাকস বা হালকা নাস্তা বা জলখাবার যাই বলি না কেন মুটিয়ে যাওয়ার জন্য এসব খাবার অনেকখানি দায়ী। আর এটি এখনও আমাদের অনেকেরই অজানা। কিন্তু স্ন্যাকস জাতীয় খাবারগুলো এত বেশি মুখরোচক এবং সহজপ্রাপ্য যে এসব খাবার এড়িয়ে চলাও বেশ কঠিন। স্ন্যাক বা হালকা নাস্তার যে কোনো একটিই কিন্তু আপনার ওজন বাড়িয়ে দেবে অনেকখানি। আপনি যদি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করতে চান তাহলে খাদ্য তালিকা থেকে পছন্দের খাবার বাদ দিন একেবারেই। চলুন তবে জেনে নিই সেই খাবারগুলো কী। আজকাল আমরা মোটামুটি সবাই জানি, একটি দীর্ঘ সময়ের জন্য স্বাস্থ্যকর ত্বক পেতে হলে ত্বককে দুভাবে যত্ন নিতে হবে ১. ইন্টারনালি ২. এক্সটারনালি। ইন্টারনালি বা ভেতর থেকে যেভাবে ত্বকের যত্ন নিতে হয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো খাদ্যাভাস। কিছু ত্বকবান্ধব খাদ্য নির্দেশিকা দেওয়া হলো। পানি সুস্থ-সুন্দর ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পানি। এটি ত্বকের আর্দ্রতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। বিশেষ করে গ্রীষ্মের সময় ত্বকের সুস্বাস্থ্যের জন্য পানি পান করা একান্ত জরুরি। প্রতিদিন অন্তত এক-দেড় লিটার পানি পানের অভ্যাস করুন। এই অভ্যাস আপনার স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বক গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। প্রোটিন প্রোটিন বা আমিষ আমাদের শরীরের জন্য খুবই জরুরি। কেননা এটি আমাদের দেহের ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুকে সারাতে অতি মাত্রায় কার্যকর। প্রোটিনের অভাবে মাথার ত্বক শুষ্ক এবং নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে। খাদ্য তালিকায় প্রোটিনের সংযোজন একান্ত জরুরি। বিশেষ করে যারা নির্ভেজাল নিরামিষভোজী, তারা অবশ্যই ডায়েট প্ল্যান এমনভাবে করবেন, যেন তাদের খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণ সয়াবিন, পনির, খাদ্যশস্য, মটর, কলাই, মসুর, দুধ, শিম, কড়াইশুঁটি, মটরশুঁটি ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে। বিশেষ করে দুগ্ধজাত বিভিন্ন খাবারে যে ব্যাকটেরিয়া থাকে, তা আমাদের অন্ত্রকে পরিষ্কার রাখে। ফলে আমাদের ত্বকে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আভা দেখা দেয়। কার্বোহাইড্রেটস বাদামি চিনি এবং মধু কার্বোহাইড্রেটস বা শর্করা ও শ্বেতসার জাতীয় খাদ্যের খুবই উন্নতমানের উত্স। এই কার্বোহাইড্রেটস রক্তকে শোধন করে এবং শরীর থেকে বিভিন্ন ধরনের টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়। সাদা চিনি এবং রিফাইন্ড ময়দা না খাওয়াই ভালো। এতে কোনো স্বাস্থ্যকর ব্যাপার নেই; অথচ শুধু শুধু ক্যালরি বাড়ায়। অন্যদিকে, চিনি থেকে ত্বকের নানা রকম সমস্যা দেখা দেয় এবং ব্রণের প্রকোপ বাড়ায়। তাই সাদা চিনি না খাওয়াই শ্রেয়। ভিটামিন ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল দেখাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রয়োজনীয় ভিটামিন গ্রহণের বিকল্প নেই। বিশেষ করে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’, ‘ই’ এবং ‘বি’ কমপ্লেক্স স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য একান্ত জরুরি। ভিটামিন বলিরেখা এবং সূক্ষ্ম ভাঁজ পড়া থেকে ত্বককে বাঁচায়। অর্থাত্ অসময়ে ত্বককে বুড়িয়ে যেতে দেয় না। ফাইবার ফাইবার অপাচ্য কার্বোহাইড্রেটকে হজম করার ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীর যেন গ্রহণ করা খাদ্য থেকে অধিকতর পুষ্টি আহরণ করতে পারে, তার বন্দোবস্ত করে। মডেল বিপাশা